দিল্লি হামলার পর কেটে গেছে একদিন। এখন কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে লালকেল্লাকে। প্রসঙ্গত গণতন্ত্র দিবসের দিন, মিছিলের জন্য বরাদ্দ থাকা নির্দিষ্ট পথে না গিয়ে ক্রমে দিল্লি অভিমুখে ঢুকে পড়ে ট্রাক্টর বাহিনী। ভাঙতে থাকে একের পর এক ব্যারিকেড। অভিযোগ, পুলিশকে লক্ষ্য করে ছোঁড়া হয় পাথর। পাল্টা পুলিশ ছোঁড়ে কাঁদানে গ্যাস। করা হয় ব্যাপক লাঠিচার্জ। এরপরই লাল কেল্লার দখল নেয় কৃষকদের মিছিল। বিক্ষোভকারীদের মধ্যেই একদল লাল কেল্লার চূড়ায় উঠে নিশান সাহিবের পতাকা উড়িয়ে দেয়। বিশাল মিছিলের সামনে কার্যত অসহায় বোধ করে পুলিশ বাহিনী l
আর এই গন্ডগোলের পর এবার বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে স্থানীয় বাসিন্দারা। দিল্লির সিঙ্ঘু বর্ডারে বিগত দুই মাস ধরে চলা কৃষক আন্দোলনের বিরুদ্ধে এবার পথে নামল স্থানীয়রা।
দিল্লির গর্ব লাল কেল্লায় হওয়া তাণ্ডব নিয়ে স্থানীয়রাই এবার কৃষক আন্দোলনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছেন। শীঘ্রই হাইওয়ে খালি করার দাবি জানাচ্ছেন তাঁরা। কৃষক আন্দোলনের বিরুদ্ধে সিঙ্ঘু বর্ডার এলাকার মানুষেরা জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে প্রদর্শন করছে। প্রদর্শনকারী স্থানীয়রা জানায় যে, লাল কেল্লায় জাতীয় পতাকার অপমান করা হয়েছে, এটা আমরা সহ্য করব না। তাঁরা জানায় যে, আমরা এতদিন কৃষকদের আন্দোলন সহ্য করেছি, কিন্তু প্রজাতন্ত্র দিবসের দিনে যেটা ঘটেছে সেটা সহ্য করার মতো না।
যখন গ্রামবাসীদের তরফ থেকে প্রদর্শন করা হয়, তখন কৃষকরাও পাল্টা স্লোগান দেয়। তাঁরা জয় জওয়ান, জয় কিষাণ স্লোগান দেয়। একসময় দুই পক্ষ একে অপরের সামনা সামনি চলে আসে। যদিও কিছুক্ষণ পর স্থানীয় প্রদর্শনকারীরা সেখান থেকে চলে যান।





