ধীরে ধীরে ঘুরছে খেলা। কাল যে ছিল রাজা আজ সে প্রায় ফকির। যদিও এই রাজা নিজের দোষেই ফকির হয়েছেন বলে মত বিশেষজ্ঞদের। বাংলার বর্তমান শাসকদল তৃণমূলের কথা হচ্ছে।যারা নিজেদের লাগামছাড়া দুর্নীতির কারণে বর্তমানে জনগণের চক্ষুশূল হয়ে উঠেছে। আর তাই তৃণমূলকে সরাতে জনগণ এখন শরণাপন্ন হচ্ছেন বিজেপির। তাই সুযোগ বুঝে আস্তে আস্তে তৃণমূল থেকে বিজেপির দিকে পা বাড়াচ্ছেন অনেকেই। কেউ ক্ষোভে আবার কেউবা স্বভাবে। তবে এবার যা জানা গেল তা জানতে পেরে চক্ষু চড়কগাছ সকলের।
আগামী ৭ই ফেব্রুয়ারি হলদিয়া পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের তরফে একটি অরাজনৈতিক অনুষ্ঠানে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নামে অরাজনৈতিক হলেও এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত তালিকা প্রকাশ্যে আসতেই রাজনীতির ছোঁয়া লেগে গিয়েছে কারণ এই মঞ্চে মোদীর সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন ঘাটালের সাংসদ দেব, তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী, কাঁথির সাংসদ শিশির অধিকারী। এরা সকলেই কিন্তু তৃণমূলের সাংসদ। হঠাৎ করে তৃণমূলের এত জন সাংসদ বর্তমান পরিস্থিতিতে মোদীর সঙ্গে একই মঞ্চে থাকতে চলেছেন এটা রাজনীতির ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বটে। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হলো বর্তমানে বিজেপিতে যোগ দেওয়া শুভেন্দু অধিকারীর ভাই দিব্যেন্দু অধিকারী এবং বাবা শিশির অধিকারী মোদীর সঙ্গে একই মঞ্চে থাকতে চলেছেন। যেভাবে তৃণমূল থেকে সকলেই বিজেপিতে চলে যাচ্ছেন সেখানে এই অরাজনৈতিক অনুষ্ঠান তৃণমূলের কাছে অনেকটা অগ্নিপরীক্ষার মতই।
অন্যদিকে দিব্যেন্দু অধিকারী সামনের সপ্তাহে লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চলেছেন। ফলে এবার দাদার পরে ভাইও পদ্মফুলের হাত ধরবেন কিনা সেই নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।





