সম্প্রতি জানা গিয়েছিল যে সিবিএসই বোর্ডের নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত যে সিলেবাস রয়েছে সেখান থেকে বাদ পড়তে চলেছে জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা, স্থানীয় প্রশাসন এই বিষয়গুলি। এই নিয়ে শুরু হয়েছিল প্রবল বিতর্ক। কেন্দ্রীয় সরকার এর মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের মনে একনায়কতন্ত্রের বীজ বপন করতে চলেছেন বলে উঠেছিল অভিযোগ! এই বিষয়ে আগেই বক্তব্য রেখেছিল সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই)। এবার নবম-দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সিলেবাস বাদ দেওয়ার বিতর্কে মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ ও উন্নয়নমন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল নিশাঙ্ক। কড়া ভাষায় জানালেন, বিষয়টি নিয়ে অহেতুক বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে।
https://twitter.com/DrRPNishank/status/1281113922246868997
বৃহস্পতিবার তিনি পরপর টুইট করে জানান যে সিবিএসই সিলেবাস থেকে কয়েকটি বিষয় বাদ দেওয়া নিয়ে সম্পূর্ণ না জেনে অনেকে অনেক মন্তব্য করছেন। এখানে সমস্যাটা হলো যে গোটা বিষয়টা নিয়ে একটা মিথ্যা ছবি তুলে ধরার জন্য শুধুমাত্র কয়েকটি বিষয় বেছে নিয়ে রঙ চড়ানো হচ্ছে।
https://twitter.com/DrRPNishank/status/1281113935685406722
ছাত্র-ছাত্রীদের উপর চাপ কমানোর জন্য ৩০% সিলেবাস কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিবিএসসি বোর্ড। সেখানে শুধুমাত্র এই বিষয়গুলিই একটি বিষয় থেকে বাদ যাচ্ছে তা নয়।
https://twitter.com/DrRPNishank/status/1281113931830853638
কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ মন্ত্রী জানিয়েছেন যে আরও বিভিন্ন বিষয়ে থেকে অনেকগুলি ভাগই বাদ দেওয়া হচ্ছে। যেমন পদার্থবিদ্যায় হিট ইঞ্জিন ও রেফ্রিজারেটর, হিট ট্রান্সফার, কনভেকশন ও রেডিয়েশন বাদ যাচ্ছে। অঙ্কে কন্সিসটেন্সি ও ইনকন্সিসসটেন্সি, বাইনোমিয়াল প্রবাবিলিটি ডিস্ট্রিবিউশন বাদ পড়ছে। এরকম প্রায় প্রত্যেকটি বিষয় থেকেই অনেকগুলি চ্যাপ্টার বাদ দেওয়া হচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীদের স্বার্থেই।
https://twitter.com/DrRPNishank/status/1281113933764374529
তাই এই বিষয় নিয়ে রং চড়িয়ে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে বারণ করছেন কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী।






