আজ বাজারে সোনার দাম আরো কমল। এই নিয়ে পর পর দু’দিন সোনার দাম কমল। এ দিন এমসিএক্স সূচকে গোল্ডের দর ০.২% কমায় প্রতি ১০ গ্রাম সোনার দাম দাঁড়াল ৪৫,৭২২ টাকা। গতকাল সোনার দর কমেছিল ০.৭০%। সোনার দাম কমলেও বাজারে রুপোর দাম কিছুটা ঊর্ধমুখী। এ দিন এমসিএক্স সূচকে গতকালের তুলনায় রুপোর দাম ০.৪২% বেড়েছে, যার ফলে প্রতি কেজির রুপোর দাম দাঁড়াচ্ছে ৪৩,৪৭৫ টাকা।
ভারতের বাজারে সোনার দাম কমলেও আন্তর্জাতিক বাজারে অবশ্য সোনার দাম এ দিন বেশির দিকেই আছে। প্রতি আউন্স সোনার দাম আজকের দিনে ১,৭০০ ডলারের কাছাকাছি। স্পট গোল্ড সূচক ০.২% বেড়ে গিয়ে প্রতি আউন্স সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ১,৭০৪.২৬ ডলার। অন্যদিকে রুপোর দাম প্রতি আউন্সে ০.৪% বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫.৫১ ডলার।
সোমবার থেকে সভরেন গোল্ড বন্ডের দ্বিতীয় কিস্তি বাজারে ছাড়ল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। আগামী ১৫ মে পর্যন্ত ইস্যু করা যাবে এই বন্ড। বন্দে প্রতি গ্রাম সোনার হিসেবে দাম বেঁধে দেওয়া হয়েছে ৪,৫৯০ টাকা। এদিকে অনলাইনে বন্ড ইস্যু করলে মিলবে বিশেষ ছাড়। অনলাইনে ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে ইস্যু কেনার উপরে প্রতি গ্রামে ৫০ টাকা করে ছাড়ের ঘোষণা করল আরবিআই।
অন্য দিকে,করোনার জেরে মানুষের ক্রয় ক্ষমতা কমেছে। লকডাউনের জেরে দেশব্যাপী সমস্ত সোনার দোকান বন্ধ থাকায় সোনার বিক্রিতে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। তাই সোনার লগ্নিতে আংশিক মন্থর গতি দেখা দিয়েছে। একমাত্র ব্যতিক্রম দেখা গেছে বিশ্বের বৃহত্তম সোনার ক্রেতা চিন। সেখানে সোনার চাহিদা এখনও ঊর্ধ্বগামী।
আবার বাহ্যিক বিক্রির হারে উল্লেখজনক উত্থান দেখা না দিলেও অনলাইনে সোনায় বিনিয়োগের দিকে মানুষে ঝোঁক বাড়ছে। করোনা সংক্রমন রুখতে চলতি লকডাউনের জেরে বিশ্বজুড়ে অর্থনীতিতে যে মন্দা দেখা দিচ্ছে সেখানে সোনায় ইনভেস্টমেন্ট বাড়ছে। কারণ এই মুহূর্তে অনেক বেশি বিনিয়োগকারীরা সোনাতে বিনিয়োগ করাটাই উপযুক্ত মনে করছেন, যাতে পরবর্তী দিনে ভালো ফল আসে। কিছু কিছু দেশে নিষেধাজ্ঞায় ছাড় দেওয়ার ফলে চাহিদা অনুযায়ী শুরু হয়েছে উৎপাদনও।






