করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়ার জন্য দেশে এল আরও এক নতুন টিকা। জনসন অ্যান্ড জনসনের সিঙ্গল ডোজ টিকাকে জরুরী ভিত্তিতে দেশে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মান্ডবিয়া একথা জানান।
গত ৫ই আগস্ট জনসন অ্যান্ড জনসন কোম্পানি তাদের সিঙ্গল ডোজ করোনার টিকাকে অনুমোদন দেওয়ার জন্য আবেদন জানায়। এরপর আজ এই টিকাকে অনুমোদন দেওয়া হল। এরই সঙ্গে ভারত পেল করোনার জন্য পঞ্চম টিকা। এর আগে কোভিশিল্ড, কো-ভ্যাক্সিন, স্পুটনিক ভি, ও মডার্না টিকা ভারতে ছাড়পত্র পেয়েছে। এবার ছাড়পত্র পেল জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকা।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ট্যুইট করে জানান, “ভারত নিজের ভ্যাকসিন সম্ভারের বিস্তার ঘটাল! জনসন অ্যান্ড জনসনের সিঙ্গল ডোজ করোনা ভ্যাকসিন আপৎকালীন ব্যবহারের জন্য ছাড়পত্র পেল। ভারতের কাছে এখন পাঁচটি ইইউএ টিকা রয়েছে। আর এরফলে আমাদের দেশের করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়তে আরও শক্তিশালী হবে”।
আরও পড়ুন- ‘নীরজের এই কৃতিত্ব চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে’, টোকিও অলিম্পিক্সে প্রথম সোনা জেতা নীরজকে অভিনন্দন মোদীর
সূত্রের খবর অনুযায়ী, জনসন অ্যান্ড জনসনের এই সিঙ্গল ডোজ টিকার জন্য খুব বেশিদিন আর অপেক্ষা করতে হবে না। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই এই টিকা এ দেশে মিলবে বলে জানা গিয়েছে। এই টিকার অনুমোদনের ফলে দেশে টিকাকরণ অভিযান আরও বেশি গতি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, এই টিকার একটি ডোজই যথেষ্ট। দ্বিতীয় ডোজের প্রয়োজন নেই। এর জেরে অল্প সময়ের মধ্যেই অনেক বেশি মানুষের টিকাকরণ সম্ভব হবে। এরই সঙ্গে এও জানা গিয়েছে যে জনসন অ্যান্ড জনসনের এই টিকা করোনা প্রতিরোধে ৮৫ শতাংশ কার্যকরী।
গতমাসেই মার্কিন টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থার জানানো হয় যে তাদের সিঙ্গল ডোজ করোনা টিকা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে লড়তে সক্ষম। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, জনসন অ্যান্ড জনসনের করোনা টিকা উৎপাদনের জন্য এই কোম্পানি বায়োলজিক্যাল ই-র সঙ্গে কাজ করছে। নীতি আয়োগ ডঃ ভিকে পল গত জুলাইতে বলেন যে, সিঙ্গল ডোজের এই টিকা নিয়ে সরকার আমেরিকার কোম্পানি জনসন অ্যান্ড জনসনের সঙ্গে কথা বলছে। এই টিকা তৈরি করবে হায়দরাবাদের বায়ো ই।






