চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন মানেই সেখানে চিকিৎসকের নামের পাশে বিভিন্ন ডিগ্রি লেখা থাকে। কখনও এমবিবিএস(MBBS), কখনও বিএএমএস(BAMS), আবার কখনও এমডি(MD) বা সার্জন। সেসব দেখে রোগীরা নিশ্চিন্তে চিকিৎসকের ওপর ভরসা করেন। কারণ, সেই ডিগ্রিই প্রমাণ করে তিনি চিকিৎসার জন্য উপযুক্ত। কিন্তু কেমন হয় যদি প্রেসক্রিপশনে চিকিৎসকের নামের পাশে লেখা থাকে এমএ? তাও আবার রাষ্ট্রবিজ্ঞানে?
সম্প্রতি ঠিক এমনই এক ঘটনা সামনে এসেছে, যা দেখে রীতিমতো হতবাক সকলেই। উত্তরপ্রদেশের হারদই জেলার জাহিদপুর এলাকার একটি প্রেসক্রিপশন ছবি সামনে আসতেই শুরু হয়েছে শোরগোল। ভাইরাল সেই ছবিতে দেখা গিয়েছে, চিকিৎসকের নামের পাশে লেখা রয়েছে এমএ রাষ্ট্রবিজ্ঞানে।
কী আছে ভাইরাল হওয়া প্রেসক্রিপশনে?
প্রেসক্রিপশনটিতে দু’জন চিকিৎসকের নাম রয়েছে। একজনের নাম দীনেশ শ্রীবাস্তব। তাঁর নামের পাশে লেখা রয়েছে বিএএমএস এবং সার্জন। এই পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল। কিন্তু সমস্যার সূত্রপাত অন্য চিকিৎসকের নাম ঘিরে। তাঁর নাম বরুণ শ্রীবাস্তব। কিন্তু নামের পাশে ডিগ্রি হিসাবে লেখা রয়েছে এমএ রাষ্ট্রবিজ্ঞানে। আর তাতেই চমকে গিয়েছেন সকলে।
সমাজমাধ্যমে উঠছে নানা প্রশ্ন
এই ঘটনা সামনে আসতেই মুহূর্তে তা ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ পাশ করা কেউ কীভাবে চিকিৎসা করতে পারেন? আবার কেউ কেউ রসিকতা করে লিখেছেন, এ চিকিৎসক বুঝি শরীর নয়, সমাজের চিকিৎসা করেন! কেউ কেউ কটাক্ষ করে লিখেছেন, এখন থেকে বুঝি রাজনৈতিক সমস্যারও চিকিৎসা শুরু হয়ে গিয়েছে। অনেকে আবার সরাসরি ওই ব্যক্তিকে ভুয়ো চিকিৎসক বলেও মন্তব্য করেছেন।
আরও পড়ুনঃ Weather update : গরমে পুড়ছে শহর! হঠাৎ সুখবর দিল আবহাওয়া দফতর, ঝড়-বৃষ্টিতে ভিজতে চলেছে গোটা দক্ষিণবঙ্গ
কীভাবে সামনে এল এই ঘটনা?
জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের হারদই জেলার জাহিদপুর এলাকার একটি ক্লিনিক থেকে এই প্রেসক্রিপশন দেওয়া হয়। এক রোগী সেখানে চিকিৎসা করাতে গিয়ে প্রেসক্রিপশনের ছবি তুলে সমাজমাধ্যমে শেয়ার করেন। এরপরই তা চোখের পলকে ভাইরাল হয়ে যায়। এখন প্রশ্ন একটাই — রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ পাশ করা কেউ কীভাবে রোগী দেখেন? কে দিয়েছে তাঁকে এই অনুমতি? প্রশাসন কি এই ঘটনা নিয়ে কোনও পদক্ষেপ নেবে? উত্তরের অপেক্ষায় সকলেই।





