ফের প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্মান্তরণের অভিযোগ উঠল এক মুসলিম যুবকের বিরুদ্ধে। উত্তর প্রদেশের মেরঠের শাস্ত্রী নগরের এক ব্যবসায়ীর মেয়েকে তাঁর কোচিং পড়ানো টিচার প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে ধর্মান্তকরণের জন্য তাঁকে দিল্লী নিয়ে গিয়েছিল। রাজধানীর জামা মসজিদে ওই ছাত্রীর ধর্মান্তকরণ করার সিদ্ধান্ত নেয় অমন নামের ওই শিক্ষক। কিন্তু নিজের লক্ষ্যে সফল হওয়ার আগেই পুলিশ মেয়েটিকে উদ্ধার করে ও অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে।
প্রসঙ্গত, পড়ানোর নাম করে ওই অভিযুক্ত শিক্ষক নিজের প্রেমের জালে মেয়েটিকে ফাঁসিয়ে নেয় আর তাঁর বন্ধুদের সঙ্গে মেয়েটিকে দিল্লী পাঠিয়ে দেয়। এই মামলা নিয়ে মঙ্গলবার হিন্দু সংগঠন আর বজরং দলের কর্মীরা নৌচন্দি থানায় হাঙ্গামা করে। এরপর পুলিশ তখন অভিযোগ দায়ের করে অভিযুক্ত অমনকে গ্রেফতার করে নেয়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সম্পূর্ণ তদন্ত চলছে। অভিযুক্ত অমনের ভাইও স্কুলে শিক্ষকতা করায়, তাঁরও তদন্ত করা হবে। CO সিভিল লাইন দেবেশ সিংহ বলেন, পড়ুয়ার বয়ান দায়ের করে তাঁকে পরিজনদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্তের নির্দেশানুসারে মেয়েটিকে দিল্লী থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, দিল্লীর জামা মসজিদে মেয়েটির ধর্মান্তকরণ করাতে চেয়েছিল অমন নামে অভিযুক্ত ওই শিক্ষক।
महानगर अध्यक्ष सचिन सिरोही जी को मुस्लिम लड़के अमान द्वारा लव जिहाद के तहत हिन्दू लडकी के अपहरण की सुचना पर संघठन के कार्यकर्ताओं के साथ नौचंदी थाने पहुंचे और लड़की की तुरंत बरामदगी को लेकर हंगमा किया। pic.twitter.com/QdWaGTYSYI
— हिन्दू जागरण मंच मेरठ महानगर (@HJMMEERUT) February 2, 2021
হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সভাপতি শচীন সিরোহি বলেন, ফেসবুক আর ট্যুইটারে মাধ্যমে অন্য ধর্মের মেয়েদের বারবার ম্যাসেজ পাঠিয়ে তাঁদের সাথে বন্ধুত্ব করা হয়। এরপর বন্ধুত্বের সম্পর্ক প্রেমে পরিণত হলে ধর্ম পরিবর্তন করার জন্য চাপ দেওয়া হয়। ফেসবুক আর ট্যুইটার ছাড়া কোচিং সেন্টারেও এখন মেয়েদের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। শাস্ত্রী নগরের ব্যবসায়ীর মেয়েকে উদ্ধার করার জন্য নৌচন্দি থানার পুলিশকে ধন্যবাদ জানায় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সভাপতি।





