বাড়ছে ওমিক্রনের চোখ রাঙানি, আগামীকাল বৈঠকে মোদী, লকডাউনের আশঙ্কায় সন্ত্রস্ত গোটা দেশ

করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন নিয়ে এখন গোটা দেশ সন্ত্রস্ত। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের শেষ রিপোর্ট অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত দেশে ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন ২১৩ জন। তবে এই ১ থেকে ২১৩জনে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বেশ দ্রুত।

প্রধানমন্ত্রী দফতর সূত্রে খবর, ওমিক্রন নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আগেই বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্যকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী। আগামীকাল, বৃহস্পতিবার মোদীর নেতৃত্বে এই বৈঠক হবে বলে জানা গিয়েছে।

ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগের কারণও রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের দাবি ওমিক্রন করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের থেকে তিনগুণ বেশি সংক্রামক। এছাড়াও রয়েছে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা। বিশেষজ্ঞদের মতে, ফেব্রুয়ারি মাসেই সর্বোচ্চ উচ্চতায় পৌঁছতে পারে ওমিক্রন।

জানা গিয়েছে, এর জেরে প্রতিদিন গড়ে ১.৫ থেকে ২ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হতে পারে ওমিক্রনে। প্রতিদিন যদি গড়ে ২ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হন, তাহলে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টির আশঙ্কা। দিতয় ঢেউয়ের সময় সে অভিজ্ঞতা সকলের হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে সতর্ক করে চিঠি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ রাজ্যগুলিকে লিখেছেন, “ডেল্টার থেকে ওমিক্রন ৩ গুণ বেশি সংক্রামক। আগের থেকে অনেক বেশি তথ্য পরিসংখ্যান বিশ্লেষণের পাশাপাশি বিধিনিষেধের ব্যাপারে আরও কড়া ও দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। করোনার ডেল্টা ভ্য়ারিয়েন্ট দেশের এখনও বহু জায়গায় দেখা যাচ্ছে। ফলে এনিয়ে এখনই সচেতন হওয়া উচিত”।

রাজেশ ভূষণ আরও বলেন যে ওমিক্রনের কথা মাথায় রেখে নানান জেলায় কনটেনমেন্ট জোন ও বিধিনিষেধ আরোপ করতে হবে। যেসমস্ত জায়গায় পজিটিভিটির রেট ১০ শতাংশের বেশি, সেই জায়গায় আরও কড়া নজর রাখতে হবে। কনটেনমেন্ট, টিকাকরণ, নজরদারি, করোনা প্রোটোকল, টেস্টিং বাড়াতে হবে। প্রসঙ্গত, গতকাল, মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মান্ডবিয়া বলেন যে বর্তমানে যে টিকা দেওয়া হচ্ছে, তা যে ওমিক্রনের বিরুদ্ধে কার্যকরী নয়, সেরকম কোনও তথ্য কেন্দ্রের কাছে নেই।

আরও অন্যান্য খবর