দিল্লিতে জোর গুঞ্জন, বড় রদবদলের পথে মোদী সরকার! অর্থমন্ত্রী বদল থেকে শিক্ষামন্ত্রকে নতুন মুখ, কাদের ভাগ্যে খুলছে নতুন অধ্যায়? কোন ভূমিকায় দেখা যাবে নির্মলা সীতারামনকে?

কেন্দ্রের এনডিএ সরকারের মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদল হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, আগামী সপ্তাহেই এই পরিবর্তন হতে পারে। সবচেয়ে বেশি আলোচনা চলছে অর্থ মন্ত্রককে ঘিরে। গুঞ্জন, বর্তমান অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের দায়িত্বে পরিবর্তন আনা হতে পারে। পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রকেও নতুন মুখ আনার সম্ভাবনার কথাও শোনা যাচ্ছে। তবে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে এখনও এ বিষয়ে কোনও সরকারি ঘোষণা করা হয়নি।

সূত্রের খবর, নির্মলা সীতারামনকে অন্য কোনও গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক বা রাজনৈতিক দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। তাঁর পরিবর্তে ভারতের প্রাক্তন রিজার্ভ ব্যাঙ্ক গভর্নর এবং প্রাক্তন আইএএস অফিসার শক্তিকান্ত দাসকে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে জল্পনা চলছে। একই সঙ্গে উত্তরপ্রদেশ থেকে তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠানোর সম্ভাবনার কথাও বিভিন্ন মহলে আলোচনা হচ্ছে। যদিও এসব বিষয়ে এখনও সরকারি নিশ্চিতকরণ মেলেনি।

শক্তিকান্ত দাসের নাম আলোচনায় আসার অন্যতম কারণ হিসেবে তাঁর দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার কথা বলা হচ্ছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও উল্লেখ করা হচ্ছে। অনেকের মতে, অর্থনীতি ও ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা সম্পর্কে তাঁর অভিজ্ঞতা নতুন দায়িত্বের ক্ষেত্রে কাজে লাগতে পারে। তবে এই বিষয়ে সরকার এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।

অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের দায়িত্বেও পরিবর্তন আসতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং সড়ক পরিবহণমন্ত্রী নিতিন গড়কড়ির মন্ত্রকে আপাতত কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলেই বিভিন্ন সূত্রের দাবি। তাঁদের বর্তমান দায়িত্বই বহাল থাকতে পারে বলে খবর।

আরও পড়ুনঃ পশু বিক্রেতা থেকে কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক? গোসাবার তৃণমূল নেতাকে ঘিরে জোর করে হিন্দু মহিলাদের বিয়ে, জমি দখল ও কা*টমানির অভি’যোগে তোলপাড় এলাকা, রাজনৈতিক প্রভাবের আড়ালে কীভাবে গড়ে উঠল এই বিপুল সাম্রাজ্য?

সম্ভাব্য এই মন্ত্রিসভা রদবদল নিয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, যদি এই পরিবর্তন বাস্তবায়িত হয়, তবে অর্থনীতি এবং প্রশাসনিক নীতিতে নতুন বার্তা যেতে পারে। তবে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বা রাষ্ট্রপতি ভবনের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। ফলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য সরকারি ঘোষণার দিকেই নজর রয়েছে।

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

আরও অন্যান্য খবর