আমাদের দেশের দুই মহাকাব্য হল রামায়ণ ও মহাভারত। এবার এই দুই মহাভারত পড়ানো হতে পারে স্কুলের সিলেবাসে। ইতিহাসের বইয়ের পাতায় এবার থাকবে এই দুই মহাকাব্য। এমনই প্রস্তাব আনা হয়েছে এনসিইআরটির সমাজবিজ্ঞান কমিটির তরফে।
কী প্রস্তাব আনা হল?
এক উচ্চ পর্যায়ের প্যানেলের শীর্ষ পদাধিকারী অধ্যাপক সি আই আইজ্যাক রামায়ণ ও মহাভারতকে পাঠক্রমের অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব এনেছেন। এছাড়াও আরও নানান প্রস্তাব আনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হল ইতিহাসের নতুন বিভাজন।
জানা গিয়েছে, ইতিহাসকে মোট চারটি পর্বে ভাঙার প্রস্তাব আনা হয়েছে এনসিইআরটির কাছে। এই চার পর্ব হল- চিরায়ত, মধ্যযুগ, ব্রিটিশ ও আধুনিক ভারতের ইতিহাস। এছাড়াও বে ও আয়ুর্বেদ পাঠ্যপুস্তককেও পাঠক্রমের অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব আনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মতো দেশনায়কদেরও পাঠক্রমে রাখার কথা বলা হয়েছে। এনসিইআরটি এবার এই প্রস্তাবে সাড়া দেয় কী না, এখন সেটাই দেখার।
এই বিষয়ে সি আই আইজ্যাক বলেছেন, “চিরায়ত ইতিহাসের মধ্যে রামায়ণ-মহাভারত রাখার কথা বলা হয়েছে। আমরা এই প্রস্তাব দিয়েছি যাতে, পড়ুয়ারা জানতে পারে রাম কে ছিলেন এবং তাঁর উপলক্ষ কী ছিল। মহাকাব্যের সামান্য অংশই পড়ানো হবে”।
বলে রাখি, এর আগে এনসিইআরটির নির্দেশিকা মেনে পাঠক্রমে যে বদল এসেছে, তা নিয়ে বেশ বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সেই পাঠক্রম থেকে বাদ পড়েছে মোগল যুগ থেকে শুরু করে ডারউইনের বিবর্তনবাদ, নারী আন্দোলনের ইতিহাসের মতো নানান গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এবার রামায়ণ ও মহাভারতকেও পাঠক্রমের অন্তর্ভুক্ত করা নিয়ে কোনও বিতর্ক তৈরি হয় কী না, এখন সেটাই দেখার।





