সরকার, চিকিৎসক সবার সম্মিলিত চেষ্টা ব্যর্থ করে চলে গেছেন কয়েক হাজার মানুষ।
আজ অর্থাৎ শুক্রবার সকালে নিজের লোকসভা কেন্দ্র বারাণসীর চিকিৎসকদের সঙ্গে কোভিড নিয়ে পরামর্শ করতে বসে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী।
বারাণসীর চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমাদের মিলিত লড়াইয়ে মহামারী অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে এখনও অনেক লড়াই বাকি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, অদৃশ্য এবং রূপ পরিবর্তনকারী ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়তে আমাদের টিকাকরণকে গণ আন্দোলনে পরিণত করতে হবে।
সেইসঙ্গে নতুন চ্যালেঞ্জ ‘ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’-এর কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন আমাদের সামনে এখন নতুন চ্যালেঞ্জ এসে দাঁড়িয়েছে। আমাদের এখন থেকেই এই মারণ রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার প্রস্তুতি নিতে হবে এবং সমস্তরকম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করতে হবে। যেখানে ব্যাধি সেখানেই আমাদের উপাচার পৌঁছে দিতে হবে।
এদিন, বারাণসীর চিকিৎসকদের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “এই মারণ ভাইরাস আমাদের কাছ থেকে আমাদের প্রিয়জনদের কেড়ে নিয়েছে। যাঁরা যাঁরা এই ভাইরাসের কবলে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি আমি শ্রদ্ধা জানাই। তাঁদের পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা…” আর এই কথা বলতে বলতেই গলা ধরে আসে ভারত প্রধানের। তবে কাল বিলম্ব না করে নিজেকে সামলে নেন তিনি। করোনার বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ে প্রথম সারির যোদ্ধা অর্থাৎ চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং অন্যান্য ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কারদের প্রশংসা শুরু করলেন তিনি।





