লোকসভা ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে। আর মাত্র কিছু বাকি ভোটের। এরপরই শুরু হবে দেশের সবথেকে বড় নির্বাচন। সমস্ত রাজনৈতিক দলের মধ্যেই এই মুহূর্তে উত্তেজনা তুঙ্গে। এবারের লোকসভা নির্বাচনে ৪০০ আসন পার করবে বলে লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে বিজেপি। তা কী সম্ভব? ভোটের আগে ভবিষ্যৎবাণী করলেন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishore)।
দেশে লোকসভা নির্বাচনের মোট আসন সংখ্যা ৫৪৩। আর এর মধ্যে ৪০০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিজেপির নেতৃত্ব দেওয়া এনডিএ ৪০০ আসন পার করবে বলে জানিয়েছে বিজেপি। তাদের দাবী, বিজেপি একাই ৩৭০টি আসন পাবে। এবার এই আসন সংখ্যা নিয়ে ভবিষ্যৎবাণী করলেন পিকে (Prashant Kishore)।
কী জানালেন প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishore)?
ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের (Prashant Kishore) কথায়, “এটা মনস্তাত্ত্বিক বিষয়ের অংশ। বিজেপি জন্য বাস্তববাদী লড়াই নয় এটা। শুধুমাত্র বিরোধীদের মানসিকভাবে বিধ্বস্ত করে দিতেই এই স্লোগান”। বিজেপির এই আসনের লক্ষ্যমাত্রার সম্ভাবনা সেভাবে এই বলেই দাবী পিকে-র।
প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishore) আরও বলেন, “বিজেপির ৩৭০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা মনস্তাত্ত্বিক লড়াই। এটা জনগণের চিন্তাধারা বদলানোর জন্যই করা হয়েছে। বিজেপি শাসিত এনডিএ জিতবে না হারবে, সেই চিন্তাভাবনা বদলে এখন বিজেপি ৩৭০ আসন পাবে কি না, সেই কথাই ভাবানো হচ্ছে জনতাকে”।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সংসদে দাঁড়িয়ে দাবী করেছেন বিজেপি একাই ৩৭০ আসন পাবে। এর পিছনেও মনস্তাত্ত্বিক খেলা রয়েছে বলেই দাবী পিকে-র। তাঁর কথায়, সংসদে দাঁড়িয়ে খোদ প্রধানমন্ত্রী যদি এমন মন্তব্য করেন, তাহলে এটাকে বিরোধীরাও ধ্রুব সত্য বলে মনে করবে। তারা এটাই সত্যি ভাবতে বাধ্য হবে বলে দাবী পিকে-র (Prashant Kishore)।
তবে প্রশান্ত কিশোরের (Prashant Kishore) কথায়, বিরোধীদের যা অবস্থা এই মুহূর্তে, তাতে বিজেপি নেতৃত্বে এনডিএ অনেকটাই উন্নতি করতে পারে। তিনি বলেন, “ওরা চাইলেই গতবারের নির্বাচনের তুলনায় ১০-২০ শতাংশ আসন বৃদ্ধি করাতে পারে। তবে ২০১৯ সালে বিজেপির পাওয়া আসন সংখ্য়া থেকে এবারে ৭০টি আসন বেশি পাওয়া সম্ভব নয়”। বলে রাখি, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ৩০৩টি আসন পেয়ে জয়ী হয়েছিল।





