Several People Died in Building Collapse: ফের বহুতল ভেঙে ঘটল মৃত্যুর ঘটনা। কলকাতার গার্ডেনরিচে বহুতল ভেঙে একাদিকের মৃত্যুর ঘটনা এখনও মুছে যায় নি মানুষের মন থেকে। এরই মধ্যে এবার ফের শোনা গেল এমন ঘটনা। বহুতল ভেঙে মৃত্যু হয়েছে এখনও পর্যন্ত ৭ জনের (Several People Died in Building Collapse)। ধ্বংসস্তূপের নীচে এখনও চাপা পড়ে রয়েছেন একাধিক।
ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল, শনিবার দুপুরে। আচমকাই ভেঙে পড়ে একটি ছ’তলা বহুতল। তাসের ঘরের মতো যেন গুঁড়িয়ে যায় সেই বহুতল। খবর পেয়ে সেখানে দ্রুত পৌঁছয় পুলিশ, এনডিআরফের দল ও দমকল বাহিনী। যৌথভাবে উদ্ধার কাজ শুরু করেন সকলে (Several People Died in Building Collapse)।
প্রাথমিকভাবে মনে করা হয়েছিল। ধ্বংসস্তূপের নীচে ৪-৫ জন আটকে থাকতে পারে। এদিনই এক মহিলাকে এই ধ্বংসস্তূপের নীচ থেকে জীবিত অবস্থায় বের করে আনা হয়। উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। এখনও ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে একাধিক (Several People Died in Building Collapse)। চলছে উদ্ধারকাজ। ধ্বংসস্তূপের নীচ থেকে গোঙানির শব্দ ভেসে আসছে।
এই বহুতল ভাঙার ঘটনাটি ঘটেছে গুজরাতের সুরাটের সচিন পালি গ্রামে। এই ঘটনা প্রসঙ্গে আজ, রবিবার সুরাট চিফ ফায়ার অফিসার বসন্ত পারেক সংবাদমাধ্যমে জানান, “গোটা রাত উদ্ধারকাজ চলেছে। আজ, রবিবার ভোর ৬টা নাগাদ ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ৭ জনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে” (Several People Died in Building Collapse)। এখনও পর্যন্ত আহতের সংখ্যা ১৫। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই খবর। এখনও প্রায় ৬-৭ জন আটকে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে, এমনটাই জানা গিয়েছে।
সুরাটের পুলিশ কমিশনার অনুপম গেহলট বলেন, “২০১৭ সালে তৈরি হয়েছিল ফ্ল্যাটটি। দুর্ঘটনার সময় পাঁচটি ফ্ল্যাটে বাসিন্দা ছিল। মূলত শ্রমিকরাই থাকতেন। অনেকে নাইট শিফ্টে থাকায়, তাদের প্রাণ রক্ষা পায়। যখন উদ্ধারকারী দল এসে পৌঁছয়, তখন ধ্বংসস্তূপের নীচ থেকে ক্ষীণ চিৎকার শোনা যাচ্ছিল। সেই আওয়াজ শুনেই উদ্ধার করা হয় এক মহিলাকে” (Several People Died in Building Collapse)।
উল্লেখ্য, বিগত কয়েকদিন ধরেই সুরাটে লাগাতার বৃষ্টি হচ্ছে। আর এই ভারী বৃষ্টির জেরেই ভেঙে পড়ে এই ছয়তলা বাড়িটি। জানা গিয়েছে, ওই বহুতলে মোট ৩০টি অ্যাপার্টমেন্ট ছিল। তবে এর মধ্যে মাত্র ৫টিতে বসবাস করছিলেন বাসিন্দারা। দুপুরে হঠাৎই বহুতলটি ভেঙে পড়ে (Several People Died in Building Collapse)। এই ঘটনার তদন্ত চলছে।






