Uttarakhand Glacier Burst: লন্ডভন্ড উত্তরাখণ্ডের দিকে সাহায্যের হাত  বাড়ালো যোগী সরকার! হাই এলার্ট উত্তরপ্রদেশেও

গতকাল হিমবাহ ভেঙে ব্যাপক তুষারধস নামে উত্তরাখণ্ডের চমোলি জেলায়। এর জেরে জোশীমঠের কাছে ধৌলিগঙ্গার জলস্তর তীব্র আকার বেড়ে যায়। তীব্র জলোচ্ছ্বাসে ভাঙতে থাকে বাঁধ। ভেসে যায় একাধিক গ্রাম। ভেসে যায় ১৫০ কাছাকাছি শ্রমিক। একের পর এক উদ্ধার হচ্ছে মৃতদেহ। চামোলি জেলার তপোবন এলাকার রানি গ্রামে ঋষিগঙ্গা বিদ্যুৎ প্রকল্পের উপর হিমবাহ ভেঙে পড়ার ফলে জলে বসে গিয়েছে আশেপাশের বাড়ি। ইতিমধ্যেই ১৪ জনের মৃতদেহ মিলেছে অলকানন্দা থেকে। লাগাতার কাজ করে যাচ্ছে আইটিবিপি , এনডিআর‌এফ, এসডিআরএফ-এর দল। পরিস্থিতি থেকে সম্পূর্ণভাবে মুক্তি পেতে এক সপ্তাহ সময় লাগবে বলে জানিয়েছে আইটিবিপি।

প্রতিবেশী রাজ্যের এই রকম পরিস্থিতিতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন। প্রসঙ্গত সেই রাজ্যেও জারি রয়েছে হাই এলার্ট। গঙ্গার জল স্তর পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এই ঘটনায় উত্তরাখণ্ড ও উত্তরপ্রদেশ জুড়ে আটকে পড়েছেন বহু পর্যটক।

ইতিমধ্যেই, যোগী প্রশাসন সমস্ত আধিকারিকদের উত্তরাখণ্ড সরকারকে যতটা সম্ভব সহায়তা করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে।

সূত্রের খবর, গঙ্গার তীরবর্তী সমস্ত জেলাকে উচ্চ সতর্কতা দেওয়া হয়েছে এবং জলের স্তর পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।  প্রয়োজনে মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ‌ও দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে যোগী আদিত্যনাথ-এর আর্জি গুজব থেকে দূরে থাকুন। সেইসঙ্গে নদীর কাছাকাছি জায়গায় আমজনতাকে যেতেও নিষেধ করেছেন। তিনি বলেন, এই ধরনের যে কোনও সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতে জনগণের কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করা উচিত।

উত্তর প্রদেশ প্রশাসন প্রাদেশিক সশস্ত্র কনস্টাবুলারি (প্যাক) এর ১৭ টি বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলাকারী সংস্থা এবং রাজ্য দুর্যোগ ত্রাণ বাহিনীর (এসডিআরএফ) নয়টি ইউনিটকে প্রয়োজনে উত্তরাখণ্ডে প্রেরণের জন্য তৈরি থাকতে বলেছে।

উল্লেখ্য, বরেলি এবং মুরাদাবাদে এনডিআরএফের ৪০ টি দলকে বন্যার ত্রাণ ও উদ্ধারকাজের জন্য তৈরি রাখা হয়েছে।  প্রয়াগরাজ এবং বারাণসীর দলগুলিও দুর্যোগ মোকাবিলায় তৈরি রয়েছে।

সেইসঙ্গে উত্তরপ্রদেশ সরকার নদীর আশেপাশের অঞ্চলে বসবাসরত লোকদের সংকটের সময় নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও সেচ বিভাগের কর্মকর্তাদের মোতায়েন করার নির্দেশ‌ও দিয়েছেন l 

আরও অন্যান্য খবর