আন্তর্জাতিক ময়দানের এই আওয়াজ তোলাকে ‘অনধিকার চর্চা’ হিসেবেই দেখছেন মোদী সরকারের নেতা-মন্ত্রীরাও। প্রত্যেকের মুখেই একসুর- “ভারত-বিরোধী মিথ্যা কোনও প্রোপাগান্ডার ফাঁদে পা দেওয়া উচিত নয়। একত্রিত হয়ে এই বিদেশি অপপ্রচার রুখতে হবে।”
উদ্ধব সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল দেশমুখ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, তারকাদের টুইট নিয়ে এবার তদন্তে নামা হবে। তাঁর কথায়, বিজেপি সরকারের চাপেই কি কৃষক আন্দোলনের বিরুদ্ধে টুইট করতে বাধ্য হয়েছেন তারকারা? তাঁদের উপর কি কোনওরকম চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল? সেই বিষয়গুলিই এবার খতিয়ে দেখবে মহারাষ্ট্র সরকার।
একই সঙ্গে ভারতীয় তারকাদের এই টুইটগুলি থেকে বেশকিছু পয়েন্ট বেছে নেওয়া হয়েছে। যেমন অনিল দেশমুখ জানিয়েছেন, “১) লতা মঙ্গেশকর ও বিরাট কোহলির টুইটে ‘Amicable’ শব্দটির উল্লেখ রয়েছে। ২) সুনিল শেট্টি তাঁর টুইটে বিজেপি নেতা হিতেশ জৈনকে ট্যাগ করেছেন। ৩) অক্ষয় ও সাইনা নেহওয়াল মোদী সরকারকে সমর্থনে হ্যাশট্যাগ দিয়েছেন। ৪) উপরন্তু প্রত্যেকের টুইটেই #IndiaAgainstPropaganda ব্যবহৃত হয়েছে। ৫) এছাড়া তারকাদের টুইটের যে সময় দেখাচ্ছে, তাতে পরিষ্কার যে মোদী সরকারের অঙ্গুলি হেলনেই তাঁরা এই টুইট করতে বাধ্য হয়েছেন।”
আর এই কারণগুলির ওপরেই এবার শুরু হতে চলেছে তদন্ত। লতা মঙ্গেশকর, অক্ষয় কুমার, অজয় দেবগন, সুনীল শেট্টি, বিরাট কোহলি এবং যাঁরা যাঁরা মোদি সরকারের হয়ে ঐক্যবদ্ধ ভারত গড়ার দাবি তুলেছিলেন, তাঁদের প্রত্যেকের সোশ্যাল অ্যাকাউন্টই এবার উদ্ধব ঠাকরে পরিচালিত শিব সেনা সরকারের আতস কাঁচের নিচে।





