হাড়হিম করা ঘটনা! সরকারি হাসপাতালের ভ্যাটের আবর্জনার মধ্যে থেকে উদ্ধার দেহের কাটা টুকরো, তুমুল চাঞ্চল্য হাসপাতাল চত্বরে

সরকারি হাসপাতালে নিরাপত্তা নিয়ে উঠেছে বিস্তর প্রশ্ন। আর জি কর কাণ্ডের পর এই ঘটনায় প্রতিবাদ জানান জুনিয়র চিকিৎসকরা। কিন্তু তারপরও কী আদৌ সরকারি হাসপাতালে বেড়েছে নিরাপত্তা, এমন প্রশ্ন যখন উঠছে, সেই সময় সেই সরকারি হাসপাতালের ভ্যাট থেকেই উদ্ধার হল মৃতদেহের নানান অংশ।

ঘটনাটি ঘটেছে আজ, বৃহস্পতিবার বারাসাত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। জানা গিয়েছে, রোজকার দিনের মতোই এদিনই সকালে ওই হাসপাতালের ভ্যাট পরিষ্কার করতে এসেছিলেন সাফাইকর্মীরা। ভ্যাটে জঞ্জাল সাফ করার সময়ই শিউড়ে ওঠেন তারা। দেখেন, ভ্যাটের মধ্যে দেহের নানান অংশ পড়ে রয়েছে।

জানা গিয়েছে, আবর্জনার মধ্যে মাথা, হাতের কাটা অংশ, পায়ের টুকরো, চোখের অংশ পড়েছিল। এমন দেখে সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডঃ সুহৃতা পালকে খবর দেওয়া হয়। কোথা থেকে কীভাবে ভ্যাটের মধ্যে এল এমন দেহের টুকরো, তা নিয়ে তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আতঙ্কে হাসপাতালের রোগী ও রোগীর পরিজনরা।

এই ঘটনায় হাসপাতালের এক সাফাইকর্মী জানান, “প্রতিদিনই হাসপাতালে নোংরা আবর্জনা এই স্তুপে রাখতে আসি। আজ এসে দেখলাম একজন মানুষের দেহ পড়ে রয়েছে খণ্ডবিখণ্ড অবস্থায়। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বিষয়টি জানিয়েছি”।

বারাসাত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৫টি মূল দরজা রয়েছে। রাতভর খোলা থাকে সেই মূল গেট। ফলে অবাধে যে কেউ যাতায়াত করতেই পারে হাসপাতালের মধ্যে। কিন্তু নতুন নিয়ম অনুযায়ী হাসপাতাল এখন সিসিটিভিতে মোড়া। তারপরও কীভাবে এমন দেহের টুকরো ভ্যাটের মধ্যে এল, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।

আরও পড়ুনঃ ‘আর কবে জাগবেন…’, যৌন হেনস্থার অভিযোগে পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর ভাই গ্রেফতার হতেই অরিজিৎ-শ্রেয়াকে নিশানা কুণালের

হাসপাতালের সাফাই বিভাগের সুপারভাইজার রনজিত মুখোপাধ্যায় এই ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, “এটা কোনও বেওয়ারিশ দেহ নয়। মেডিকেল কলেজের ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষার জন্য দেহ আনা হয়েছে। সেটি ওখানে ফেলে রেখেছে হয় তো মেডিক্যাল পড়ুয়ারা। এটা সরিয়ে দেওয়া হবে”।

আরও অন্যান্য খবর