ভোটের দিন সাতসকালেই ভাটপাড়ায় গুলিবর্ষণ-বোমাবাজি, তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি, তুমুল উত্তেজনা এলাকায়

আজ, বুধবার রাজ্যের ৬ বিধানসভা কেন্দ্রে চলছে উপনির্বাচন। এর মধ্যে রয়েছে নৈহাটিও। ভোটের দিন সকালেই ভাটপাড়ায় ঘটে গেল এক ঘটনা। গুলিবিদ্ধ তৃণমূল নেতা। ওই তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে বোমাবাজিও করা হয় বলে অভিযোগ। এলাকায় এই মুহূর্তে তুমুল উত্তেজনা।

ঘটনাটি ঘটেছে ভাটপাড়ার জগদ্দলের পালঘাট রোডে। গুলিবিদ্ধ তৃণমূল নেতার নাম অশোক সাউ। ২০১৯ সালে ১২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল সভাপতি ছিলেন তিনি। বর্তমানে তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী এও অশোক সাউ। জানা গিয়েছে, আজ, বুধবার ভোটের দিন সকালে টোটো করে যাচ্ছিলেন তিনি। সেই সময় বাইকে করে কয়েক যুবক অনুসরণ করছিল তাঁকে।     

পালঘাট রোডে একটি চায়ের দোকানে বসেছিলেন অশোক সাউ। সেই সময় বাইক থেকেই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। কয়েক রাউন্ড গুলির পর বোমাও ছোঁড়া হয় বলে দাবী। দোকানের আশেপাশে ছড়িয়ে কার্তুজ-খোল। গুলির শব্দ শুনেই স্থানীয়রা ছুটে আসেন। কিন্তু ততক্ষণে বাইক নিয়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা।  

আহত অবস্থায় ওই তৃণমূল নেতাকে নিয়ে যাওয়া হয় ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে। তাঁর চারটি গুলি লেগেছে বলে খবর। ওই হাসপাতালে তৃণমূল নেতার অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়। কী কারণে এই গুলি চলল, কোনও রাজনৈতিক কারণ নাকি ব্যক্তিগত শত্রুতা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।  

অভিযোগ, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের একাংশই জড়িত। যদিও সেই অভিযোগ খণ্ডন করে দেন ভাটপাড়ার বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম। তাঁর কথায়, “ঘটনার কথা শুনেছি। কে বা কারা গুলি চালিয়েছে তা বলা মুশকিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা জানা যাবে”। অন্যদিকে ব্যারাকপুর লোকসভার সাংসদ পার্থ ভৌমিকের কথায় , “এই হামলার পিছনে অর্জুন সিংয়ের হাত রয়েছে”।

আরও পড়ুনঃ ফের বেপরোয়া গতির বলি একরত্তি প্রাণ! দুই বাসের রেষারেষির জেরে মৃত্যু খুদে স্কুল পড়ুয়ার

যে চায়ের দোকানে অশোক সাউ বসেছিলেন, সেই চায়ের দোকানের মালিক বলেন, “দোকানে অনেক ভিড় ছিল। আমি চা বানাছিলাম। হঠাৎ গুলি চলে। অশোক প্রতিদিন চা খেতে আসতেন। বাকি কে বা কারা গুলি চালল, কেন হামলা করল কিছু বলতে পারব না”।

আরও অন্যান্য খবর