জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক মিঠিঝোরা (Mithijhora)। এই ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে যে, হাসপাতালে অসুস্থ হয়ে ভর্তি হয়েছে রাই। তার অপারেশন শুরু হয়েছে, ৩-৪ জন ডাক্তার মিলে চেষ্টা করছে তাকে সুস্থ করে তোলার। অন্যদিকে এতটা সময় লাগছে দেখে ক্রমশ ভেঙে পড়ছে স্রোত।
স্রোত যখন তার আঙ্কেলের থেকে জানতে পারে যে ডাক্তাররা সর্বোচ্চভাবে চেষ্টা করছে তার দিদিকে সুস্থ করে তোলার কিন্তু তার দিদি ফাইট করা বন্ধ করে দিয়েছে। রাই নিজে থেকে রেসপন্স করছে না, মনে হচ্ছে তার বাঁচার সমস্ত ইচ্ছা শেষ হয়ে গেছে।- এইকথা গুলো শুনে খুব ভেঙ্গে পড়ে স্রোত।
নিজের দিদির এই অবস্থার জন্য স্রোত তার মাকে কথা শোনাতেও ছাড়ে না। অন্যদিকে, এরকম একটি বিপদের মুহূর্তে ধীরে ধীরে গড়ে উঠছে স্রোত ও সার্থকের রসায়ন। স্রোত সার্থককে জিজ্ঞেস করে তার দিদি কি সুস্থ হয়ে উঠবে? সে কি গ্যারান্টি দিতে পারবে? তখন সার্থক স্রোতকে বোঝায় ডাক্তাররা তো চেষ্টা করছেন, ডাক্তারদের তো চেষ্টা করতে দিতে হবে।
স্রোত তখন নিজের মনের কথা সার্থককে বলে, তার বাবা মারা যাওয়ার পর তার দিদি কীভাবে পুরো পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছিল কিন্তু সেই দিদির এত বড় ক্রাইসিসে সে কিছুই করতে পারছে না, এটা সে মানতে পারছে না। অন্যদিকে এইরকম একটা বিপদের পরিস্থিতিতে স্রোতকে মাথা ঠান্ডা রাখতে বলে সার্থক।
এইভাবেই রাইয়ের অসুস্থতার মধ্যে ধীরে ধীরে কাছাকাছি আসছে স্রোত আর সার্থক। এরপর দেখা যায় শৌর্য্য সেখানে এলে সার্থক সেখান থেকে যেতে চাই, তখন স্রোত জিজ্ঞেস করে সে কি চলে যাচ্ছে? সার্থক বলে, না আমি ভেতরে যাচ্ছি, তোমার দিদির খবর নিতে! স্রোত তখন একটু নিশ্চিন্ত হয় এটা ভেবে যে সার্থক তার পাশে আছে।






