আর জি করের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদের হাওয়া। সকল স্তরের লোকজন নেমেছে রাস্তায়। ন্যায় বিচারের দাবীতে সকলে সরব। মুখে মুখে ঘুরছে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ স্লোগান। তবে এই আন্দোলন কী ধীরে ধীরে অতিবামদের হাতে চলে যাচ্ছে? বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষের অন্তত তেমনটাই অভিযোগ।
আর জি করের ঘটনা নিয়ে দিকে দিকে প্রতিবাদ কর্মসূচি। পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজের তরফে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে দুর্গাপুজোর আগে ফের একবার নবান্ন অভিযান হবে। এসবের মধ্যেই দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, আন্দোলনের অভিমুখ ঘুরছে। তাঁর প্রশ্ন, ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ থেকে কেন ‘আজাদি’ স্লোগান উঠবে। বিজেপি নেতার কথায়, এই আন্দোলন ক্রমেই অতিবামদের হাতে চলে যাচ্ছে। এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেছেন তিনি।
আন্দোলনের নাম করে সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর, পুলিশের উপর হামলা এমন নানান ঘটনা দেখেছে বাংলার মানুষ। কলকাতা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। এমন অবস্থায় বেশ অস্বস্তিতে পড়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, এই ‘আজাদি’ আন্দোলনের জেরে মুখ্যমন্ত্রী অক্সিজেন পাবেন।
অন্যদিকে আবার আন্দোলনকারীদের মত, নারী স্বাধীনতা ও নারী সুরক্ষায় বিজেপি কোনও ভূমিকা কোনওদিনই নেয়নি। এখন সব রাজনৈতিক দলের ভূমিকায় সামনে এসে গিয়েছে। তাদের কথায়, তৃণমূল-বিজেপি একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ মাত্র। যারা আন্দোলনের অভিমুখ বদলে যাওয়ার কথা বলছেন, তারা আসলে নারী স্বাধীনতা চান না বলে দাবী আন্দোলনকারীদের।
দিলীপ ঘোষের মতে, আন্দোলনের নামে যদি ভাঙচুর বা এই ‘আজাদি’ স্লোগান ওঠে, তাহলে তা সরকারকেই ডিভিডেন্ট দেবে। আবার একাংশের মতে, আন্দোলনের অভিমুখ বদল নিয়ে যদি বিরোধীরা একে অপরকে দোষারোপ করতে থাকে, তাহলে তা সরকারকে স্বস্তি দেবে। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টে রয়েছে আর জি কর মামলায় শুনানি। এর আগে এমন ধরণের অভিযোগ বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।





