আজ, বুধবার রাজ্যে ৬ বিধানসভা কেন্দ্রে চলছে ভোটগ্রহণ। ভোট শুরুর পর থেকেই সকাল থেকে নানান ধরণের অভিযোগ উঠে আসছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। কোথাও বিজেপি এজেন্টকে বুথে বসতে না দেওয়া তো কোথাও আবার ইভিএম সরিয়ে নিয়ে যাওয়া, এমন নানান অভিযোগ উঠছে। এবার বিজেপি এজেন্টকে পুলিশের সামনেই হুমকিই দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে।
ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহারের সিতাইয়ে। সেখানেও এদিন চলছে উপনির্বাচন। এদিন বসের টারি জুনিয়র হাইস্কুলের বুথে চলছিল ভোটগ্রহণ। ভোট চলাকালীন আচমকাই বুথে প্রবেশ করেন মতিউর রহমান নামের এক তৃণমূল নেতা। সেখানে ঢুকেই হুমকি শানাতে থাকেন তিনি।
বুথের ভেতরে বসেছিলেন বিজেপি এজেন্ট। পুলিশের সামনেই ওই বিজেপি এজেন্টকে হুমকি শানাতে থাকেন ওই তৃণমূল নেতা। বলেন, “আধ ঘণ্টা সময় দিলাম। যদি না বেরোস তাহলে মেরে ফেলে দেব। আধ ঘণ্টার মধ্যে বেরোতে হবে”। পুলিশ সামনে থাকলেও কোনও পদক্ষেপ করেনি বলে অভিযোগ।
এই ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, “গণতন্ত্রের লজ্জা বললে গণতন্ত্র আর লজ্জাকেও ছোট করা হবে। এ রাজ্যে যেভাবে ভোট হয়, সেটা অন্য কোথাও হয় না। নির্বাচন কমিশন সবটাই জানে। তবে কমিশনের কী ভূমিকা এখানে গণতন্ত্র ফেরাতে”?
আরও পড়ুনঃ প্রকাশ্য মঞ্চে তৃণমূল কর্মীদের সমর্থন করে অভয় দিলেন কলকাতা পুলিশকর্মী, ভিডিও ফাঁস করে প্রমাণ দেখিয়ে বিস্ফোরক সুকান্ত
বলে রাখি, হাড়োয়ার সদরপুর হাইস্কুলের ২০০ নম্বর বুথে ইভিএম মেশিন সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, তৃণমূল পোলিং এজেন্ট ইভিএম মেশিন সরিয়ে জানলার পাশে নিয়ে যান। বলেন, ইভিএম মেশিন ঘুরিয়ে দিতে হবে। জানলার পাশে ইভিএম মেশিন বসিয়ে ভিডিও করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ। সেই সময় বাধা দেন হাড়োয়ার বিজেপি প্রার্থী বিমল দাস। এরপরই দু’পক্ষের মধ্যে শুরু হয় তর্কাতর্কি। শুধুমাত্র ইভিএম সরিয়ে নেওয়াই নয়, তৃণমূলের বিরুদ্ধে বুথের ভিতর বিজেপি এজেন্টকে বসতে না দেওয়ার অভিযোগও করেছেন বিজেপি প্রার্থী বিমল দাস। এই নিয়ে উত্তাল হয়ে ওঠে পরিস্থিতি।






