টলতে থাকা নৌকাতে চেপেই রাজ্য জয় করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ব্যাপক ব্যবধানে বিরোধী বিজেপিকে হারিয়েছেন তিনি। মোদীর চোখে চোখ রাখার সাহস একমাত্র আছে মমতারই! আর তাই টুইটারের এখন ট্রেন্ডিং করছে #Bengali primeminister!
রাজ্য জয় করার পর আর কোনও কিছু ফেলে রাখতে চাইছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা যাচ্ছে, করোনা মহামারীর প্রকোপ রাজ্যে একটু কমলে তারপরই উপ নির্বাচনের জন্য তদ্বির করবেন তিনি। কারণ রাজ্যে এখন বকেয়া রয়েছে ৬টি বিধানসভা কেন্দ্র। সেখানে উপনির্বাচন করতে হবে। আর তা দ্রুত সেরে ফেলতে চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনের আগেই সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন তৃণমূলের দীনেশ ত্রিবেদী। সঙ্গ নিয়েছেন বিজেপির। নির্বাচনের আগে পদত্যাগ করেন মানস ভুঁইয়াও। বাংলা থেকে খালি হওয়া এই দু’টি রাজ্যসভার আসনে নতুন প্রার্থী নির্বাচিত হওয়ার কথা।
কিন্তু সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশিত হওয়ার পর এই বিষয়ে গা ঘামাচ্ছে না কেন্দ্রীয় সরকার। এর পিছনে ফের হারের ভয় একটা কারণ হতে পারে। কিন্তু তৃণমূল চাইছে এই ভোট তাড়াতাড়ি সেরে ফেলতে। আর এই দাবি নিয়েই নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চলেছে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব।
তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যসভার ভোটে ভিড় হওয়ার কথা নয়। কারণ এই ভোট জনতা দেবে না। দেবেন বিধায়করা। এবং নির্দিষ্ট শারীরিক দূরত্ব মেনে বিধানসভা ভবনের ভেতরেই আয়োজিত হবে এই ভোট।
আরও পড়ুন:ভোটে ব্যাপক হার! ঝাঁ-চকচকে বিশাল কার্যালয় এখন বোঝা সমান রাজ্য বিজেপির কাছে
রাজ্যের শাসকদলের তরফে জানানো হয়েছে, সংবিধান অনুযায়ী ৬ মাসের মধ্যে রাজ্যসভার নির্বাচন করতে হবে। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি বর্তমানে হচ্ছে। কিছুটা হলেও দ্বিতীয় ঢেউয়ের স্রোত খর্ব হচ্ছে। কিন্তু আশঙ্কা থাকছে তৃতীয় ঢেউয়ের। আর তাই করোনা পরিস্থিতির আর একটু উন্নতি হলেই ভোট–পর্ব সেরে ফেলা উচিত বলে মনে করছে তৃণমূল কংগ্রেস।
নির্বাচন পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কোনও অবস্থাতেই কেন্দ্রের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো হয়নি রাজ্যের শাসকদলের। ব্যাপক ঝামেলা লেগে রয়েছে দিল্লি, নবান্ন’র।
এই অবস্থায় নির্বাচন কমিশন কি সিদ্ধান্ত নেয় সেটাই দেখার।






