দক্ষিণে প্রখর তাপ হলেও উত্তরবঙ্গে এখনও শীতের আমেজ সঙ্গে বৃষ্টি।

দক্ষিণবঙ্গের গরমে নাজেহাল দক্ষিণবঙ্গবাসীরা। মারাত্মক গরমের সঙ্গে প্যাচপ্যাচে ঘাম, সবমিলিয়ে অস্বস্তিতে দক্ষিণবঙ্গ। আটটি জেলায় জারি রয়েছে তাপপ্রবাহের সতর্কতা। ঝড় বৃষ্টির পূর্বাভাস মিলেছে ঠিকই। কিন্তু তা কবে আসবে তার দিকেই চাতক পাখীর ন্যায় তাকিয়ে দক্ষিণবঙ্গবাসী।

এই নাজেহাল করা পরিস্থিতি যখন দক্ষিণে তখন অপরদিকে এখনও শীতের আমেজ উত্তরের কিছু জেলায়৷ শীতকাল চলে গিয়েছে অনেক আগেই। তবুও এখনও মাঝেই মাঝেই ফ্যানের হাওয়ায় ঠান্ডা লাগার জোগাড় উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার জেলায়৷ মাঝে যে অবশ্য গরম পরেনি তা নয়। সেই গরমও মেরেকেটে ২ থেকে ৪ দিন। তারপর থেকেই এমন আরামদায় আবহাওয়ায় রয়েছেন উত্তরের বাসিন্দারা যে তা দেখলে রীতিমতো হিংসা হতে পারে দক্ষিণবঙ্গ তথা কলকাতাবাসীদের।

 

‘ফণী’ আসার অনেক আগের থেকেই শুরু, ‘ফণী’ চলে যাওয়ার পর এখনও সেই আরামদায়ক আবহাওয়া উত্তরে৷ সারাদিনই মেঘলা আকাশ সঙ্গে হালকা হাওয়া। রোদের দেখা তেমন নেই, মাঝে মাঝে দেখা পাওয়া গেলেও তার তেজ খুবই কম। সঙ্গে মাঝে মাঝেই হালকা বৃষ্টি। একদম হৃদয় হরণ আবহাওয়া।

পাহাড় থেকে মাঝেমাঝেই মেঘ নেমে আসছে তরাই – ডুয়ার্সের এই অঞ্চলে। আর তার জেরেই এই মনোরম আবহাওয়ায় দিন যাপন করছেন উত্তরবঙ্গ বাসীরা। দক্ষিণের তাপমাত্রা যখন স্বাভাবিকের থেকে দুই- তিন ডিগ্রী বেশি। এসি ছাড়া এক মুহূর্ত থাকা দায়। সেখানে উত্তরে এই দুই জেলায় মাঝে মাঝেই ঠান্ডা লেগে যাচ্ছে কেবল মাত্র ফ্যানের হওয়াতেই। প্রয়োজনে রাত ভোরের দিকে বন্ধও করে দিতে হচ্ছে ফ্যান। গায়ে চাঁপাতে হচ্ছে চাদর জাতীয় কিছু৷

Pubg Mobile Trigger

প্রতিদিনই প্রায় থাকছে হালকা বৃষ্টি। যেমন আজ বিকেলেও বৃষ্টির খবর মিলেছে উত্তরের কোচবিহার জেলা থেকে। তবে উত্তরের সর্বত্র নয়৷ এই দুই জেলা আর দার্জিলিং জেলা বাদে উত্তরবঙ্গের উত্তর দিনাজপুরের দিকে চলে এলেই সেই একই প্রখর তাপ এবং অস্বস্তিকর গরম। নামে উত্তরবঙ্গ হলেও এই স্থানে দক্ষিণের আবহাওয়ারই প্রকোপ বেশি। বলা বাহুল্য, উত্তরের এই আবহাওয়ার কথা শুনে লোভ হওয়ারই কথা দক্ষিণ বাসীদের। ছুটি পেলেই এক দুদিনের জন্য কিন্তু ঘুরে আসতে পারেন উত্তরের এই দুই জেলার মনোরম আবহাওয়া থেকে।

আরও অন্যান্য খবর