তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে এবার আক্রমণ শানালেন সেকুলার ফন্টের প্রধান আব্বাস সিদ্দিকী!
প্রসঙ্গত, গতকাল অর্থাৎ রবিবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে নিউটাউনের বালিগড়িতে একটি সভা করার কথা ছিল পীরজাদা সিদ্দিকীর। সেই সভাতেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। ঘটনার জেরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।
সেকুলার ফ্রন্টের প্রধানের দাবি করেন, মুসলিম হওয়ার কারণেই এই বাধা। তবে এসবকে পরোয়া না করে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের স্বার্থে লড়াই চালিয়ে যাবেন বলেই সুর চড়ান তিনি।
আরও পড়ুন-ভোটের বাংলায় দর্জির দোকানের আড়ালেই রমরমিয়ে চলছে অস্ত্রের ব্যবসা, গ্রেফতার মালিক
অবশ্য আব্বাসের অনুগামীরা নিউটাউন ভাঙড় সংযোগকারী হাতিশালা ৬ নম্বর লেন অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে নিউটাউন। সভায় বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে রাজ্য সরকারকে তুলোধনা করেন আব্বাস সিদ্দিকী। রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, “এই তৃণমূল সরকার চিটিংবাজ, ধোঁকাবাজ সরকার, কাটমানির সরকার, এরা সন্ত্রাসবাদী।”
একইসঙ্গে এদিন পাহাড়ি নেতা বিমল গুরুং প্রসঙ্গে মুখ খোলেন আব্বাস সিদ্দিকী। তৃণমূলকে বিঁধে বলেন, “বিমল গুরুং একটা খুনি। তার বিরুদ্ধে পুলিশ খুনের অভিযোগ রয়েছে। এবার তাকে সঙ্গে নিয়েছে তৃণমূল। খুনিকেই দশ বারোটা আসন দিচ্ছে। আর আমাদের ৪৪টা আসন দিল না। যেখানে আমরা ১৫০টি আসনে ক্ষমতায় আসতে পারি। এই তৃণমূল সরকার মুসলিম-আদিবাসীদের দুশমন।” এদিন নিউটাউনের পর ভাঙড়ের ভোজেরহাটে জনসভা করেন আব্বাস। ভরা জনসভায় দাঁড়িয়ে তৃণমূলকে নিশানা করার পাশাপাশি অনুগামীদের ভোটের জন্য প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, “আমরা ভিক্ষা নয়, অধিকার চাই। খেলা নয়, সন্ত্রাস মুক্ত বাংলা চাই। তাই আইএসএফকে জেতাতে হবে।” পাশাপাশি তিনি হুঙ্কার দিয়ে বলেন, “যে ভোট লুট করতে আসবে তার ছাল আমরা গুটিয়ে নেব।”





