গতকাল ছিল বিবেকানন্দ ও ক্ষুদিরাম, আজ রবীন্দ্রনাথ। এদিন সকালেই কলকাতা থেকে হেলিকপ্টারে বোলপুরের উদ্দেশে পাড়ি দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বোলপুরে হেলিপ্যাডে নেমে সেখান থেকে গাড়িতে বিশ্বভারতী যান শাহ। সেখানে তাঁকে স্বাগও জানান অনুপম হাজরা, লকেট চট্টোপাধ্যায়, রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ সেন-সহ একাধিক বিজেপি নেতা।
এদিন সেখানে পৌঁছে প্রথমেই তিনি যান রবীন্দ্র ভবনে। রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এরপর বেলা ১১টা থেকে ১২.৪০ পর্যন্ত বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ আচার্যের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। এরপর যোগ দেন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে।
শান্তিনিকেতনে এসে তিনি যে কতটা আপ্লুত তা একটি টুইট বার্তার মাধ্যমে জানান শাহ। তাঁর কথায়, “আমি এসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সম্মান জানালাম। আজ খুব সৌভাগ্যের দিন। জগতকে বাংলার সঙ্গে করতে তৈরি হয় শান্তিনিকেতন। শতবর্ষ উদযাপিত হতে চলেছে বিশ্বভারতীর। এটাই সময় বাংলার শিক্ষা, সংস্কৃতির সঙ্গে সকলের পরিচয় ঘটানোর”।
শান্তিনিকেতনের রবীন্দ্র ভবনে ভারতের অন্যতম খ্যাতনামা দার্শনিক কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করলাম। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে কবিগুরু 'র অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে এবং তাঁর চিন্তাভাবনা আমাদের আগামী প্রজন্মকে সর্বদাই অনুপ্রাণিত করবে। pic.twitter.com/fgs8sRiCgO
— Amit Shah (@AmitShah) December 20, 2020
এরপর তিনি রওনা দেন রতনপল্লির বাসুদেব বসু বাউলের বাড়িতে। এখানেই তাঁর আজকের মধ্যাহ্নভোজনের আয়োজন করা হয়েছিল। এদিন তাঁর বাড়ি পৌঁছে শাহ প্রথমেই বাসুদেব বাউলের বাড়ির শিবমন্দিরে পুজো দেন। এরপর মজেন বাউল গানে। এরপর মধ্যাহ্নভোজন সেরে অমিত শাহ রওনা দেন পথযাত্রার জন্য। হনুমান মন্দিরে পুজো দিয়ে শুরু করেন পথযাত্রা।






