বড় খবরঃ রামপুরহাট গণহত্যাকাণ্ডের আসল দোষী কারা? কোন বড় মাথারা জড়িত? খোলসা করলেন খোদ তৃণমূল নেতা আনারুল হোসেন

গত বৃহস্পতিবার বগটুই গ্রামে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে গিয়ে দেখা করেন মৃতদের পরিজনদের সঙ্গে। তাদের সান্ত্বনা দেন। সেদিন তিনি পুলিশকে কড়া নির্দেশ দেন যাতে এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত আনারুল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। এরপরই পুলিশ খোঁজ চালায় আনারুলের ও তারাপীঠ থেকে গ্রেফতার হয় আনারুল।

গত শুক্রবারই এই মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানায় যে রাজ্য পুলিশের উপর আর আস্থা রাখা যাবে না কারণ সঠিক তথ্য পেশ করেনি রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল সিট।

আদালতের নির্দেশের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। আজ, রবিবার ধৃত আনারুল হোসেনকে জেল থেকে নিয়ে যাওয়া হয় সিবিআই ক্যাম্পে। সেখানে তাকে এই ঘটনায় বিস্তারিতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। কিন্তু জেল থেকে বেরিয়ে সিবিআইয়ের প্রিজন ভ্যানে ওঠার সময় এক বিস্ফোরক অভিযোগ করেন আনারুল যা এই মামলায় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

আনারুল জানান যে তাঁকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হচ্ছে। আনারুলের কথায়, “ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। রাজনৈতিক চক্রান্ত করে ফাঁসানো হচ্ছে। বিরোধী দল আছে, কিছু লোক আছে। টিভিতে কথা বলা কিছু লোক ষড়যন্ত্র করেছে”।

কিন্তু এবার প্রশ্ন হচ্ছে এই টিভিতে কথা বলা লোক আসলে কারা। আনারুলকে প্রশ্ন করা হয় যে টিভিতে তো আপনার নিজের দলের লোকও অনেক কথা বলছেন, তারা কী এই ঘটনায় জড়িত? তাতে তিনি কোনও উত্তর দেন নি ঠিকই তবে সরাসরি না-ও বলেন নি। তাহলে ধরে নেওয়া কী যেতে পারে যে আনারুল নিজের দলের লোকের দিকেই ইঙ্গিত করল? এখন সেই প্রশ্নই ঘুরছে রাজ্য রাজনীতির অন্দরে। এবার সিবিআই তদন্তে কি তথ্য উঠে আসে, সেটাই দেখার।

RELATED Articles