উত্তরপাড়ার ছেলে ‘বাবুল সুপ্রিয়’র’ হাত ধরে বালি হল্টে চালু হচ্ছে লিফট্! নিত্যযাত্রীদের সিঁড়ি ভাঙার দিন শেষ

বালিহল্ট দিয়ে যাতায়াত করেন প্রচুর মানুষ। আর এঁদের প্রত্যেকেই জানেন সিঁড়ি ভাঙার কষ্ট কি! উঠতে-নামতে প্রাণটা প্রায় বেরিয়ে যায়। আর পিছনে ট্রেনের তাড়া থাকলে তো কথাই নেইl

নিত্যযাত্রীদের এই কষ্ট‌ই এবার লাঘব করার চেষ্টায় উত্তরপাড়ার ঘরের ছেলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়।

তিনি বলেন, “আজ নস্টালজিক দিন। আমি উত্তরপাড়ার ছেলে। এই স্টেশন দিয়ে আমি মা-ঠাকুমা যাতায়াত করতাম। আমি আজও এই পাড়ার ছেলে।” স্মৃতি হাতড়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “এখানে আমি বড় হয়েছি। সিনেমা দেখেছি। কচুরি খেয়েছি। এখানে জামা কাপড় বানাতাম। বাবা, মা, ঠাকুমা নিয়ে এখানে আমার যাতায়াত। এই স্টেশন, ট্রেন ধরতে আসা আমার কাছে অনেক স্মৃতি।”

আর আজ ঘরের ছেলের হাতেই  উদ্বোধন হল বালিহল্টের লিফট্। বাবুল জানালেন, ২ কোটি এই প্রকল্পের জন্য অনুমোদিত হয়েছিল। যদিও খরচ হচ্ছে ৮০ লাখ।

এ দিন গোটা অনুষ্ঠানটাতেই বাবুলের সঙ্গে দেখা গেল সদ্য তৃণমূল ত্যাগী বৈশালী ডালমিয়াকে। বাবুল বললেন, আমি এখানের এম পি, এম এল-এ নই। বৈশালী তৃণমূলে থাকাকালীন অবস্থাতেই আমাদের সাহায্য করেছে। অভিষেক মনু সিঙ্ঘভিকে‌ও আমন্ত্রণ করেছিলাম। কিন্তু উনি এখানে এলেন না। ভালো কাজে আসেন না। ভাবেন বিরোধী দল মাইলেজ পাবে।

বাবুল সুপ্রিয়’র কথায় দলমতের সমর্থক হয়ে নয়, সাধারণ মানুষ এই সুবিধে পান। লিফটে এসি থাকছে। স্টেনলেস স্টিল দিয়ে বানানো হবে। ফলে পরিষ্কার থাকবে লিফটটি।  এসব বলতে বলতেই আবেগপ্রবণ বাবুল বলেন, “মা থাকলে আজ খুব খুশি হতেন। রেলমন্ত্রী আমাকে সাহায্য করেছেন।”

কথাবার্তার শেষে নাম করে তৃণমূলকে বিঁধতেও ভুললেন না বাবুল। বললেন “প্রসূন বন্দোপাধ্যায় সাংসদ, এখানে এই কাজটা করলেন না। ওঁকে ফোন করব। আসলে ভালো করতেন। উনি করতে পারেন নি বলেই কি লজ্জায় আসেননি?”

RELATED Articles