উপনির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করে দিল বিজেপি, একাধিক কেন্দ্রে দেখা মিলতে পারে নতুন মুখের

বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্বাচন করানোর পক্ষে সায় না দিলেও উপনির্বাচন হবে এই ভেবেই প্রস্তুতি শুরু করে দিল গেরুয়া শিবির। গতকাল, শুক্রবার সেরকম ইঙ্গিত দিয়েই বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “যে কোনও কেন্দ্রে যে কোনও সময় নির্বাচন হোক, রাজনৈতিক দল হিসেবে আমরা সবসময় তৈরি”।

উপনির্বাচনের আগে যাতে পুরভোট করা হয়, এ নিয়ে প্রথম থেকেই দাবী জানিয়ে আসছে বিজেপি। করোনা পরিস্থিতির কারণে উপনির্বাচন করানোর পক্ষে সম্মতিও জানায়নি দল। কিন্তু তৃণমূলের তরফে বারবার এখনই উপনির্বাচন করানোর দাবী জানানো হয়েছে। একাধিকবার কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে তারা।

এই বিষয়ে এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, “করোনা বাড়ছে। স্কুল-ট্রেন বন্ধ। ভোট কেন হবে?” তিনি এও বলেন যে করোনা পরিস্থিতি বিচার করে নির্বাচন কমিশন যদি উপনির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে বিজেপি সবসময় ভোটের জন্য তৈরি রয়েছে।

আরও পড়ুন- ‘চাপ নিলেই সব ভুলে যাবে, চাপ কমাতে দিঘা ঘুরে আসতে পারো’, ছাত্রছাত্রীদের পরামর্শ মুখ্যমন্ত্রীর

দলীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব থেকে রাজ্য বিজেপিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে দল উপনির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করে দেয়। পুজোর আগেই উপনির্বাচনের নির্ঘণ্ট বাজতে পারে, তাই এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে চাইছে গেরুয়া শিবির। শীর্ষ নেতৃত্ব নির্দেশ দিয়েছে যাতে ইতিমধ্যেই প্রার্থী ও অন্যান্য সাংগঠনিক বিষয়ে তৈরি হওয়া যায়। এবার সাতটি কেন্দ্রে যোগ্য প্রার্থীই দিতে চাইছে বিজেপি। একাধিক কেন্দ্রে দেখা যেতে পারে নতুন মুখ। বিধানসভা নির্বাচনে হার থেকে শিক্ষা নিয়ে উপযুক্ত প্রার্থীই নির্বাচন করতে উদ্যত দল।

রাজ্য ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে জানিয়েছে যাতে আলোচনার মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থী বাছাই করা হয়। প্রার্থী বাছাই নিয়ে রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে কোনও মতভেদ চাইছে না দল। উপনির্বাচন নিয়ে কৌশল বেঁধে মাঠে নামছে গেরুয়া শিবির।

এদিকে আবার পুরভোট না হওয়ার জেরে রাজ্যের শাসকদলকে বিঁধতে ছাড়েন নি বিজেপির রাজ্য সভাপতি। দিলীপ ঘোষের মতে, গোটা দেশে জাতীয় নির্বাচন কমিশন ঠিকভাবেই কাজ করছে। কিন্তু এই রাজ্যে পুরভোট হচ্ছে না। মানুষ পুর পরিষেবা থেকে কেন বঞ্চিত হবে? এই নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

আরও অন্যান্য খবর