২রা মে একুশের নির্বাচনে জিতে তৃতীয়বার রাজ্যে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল। নন্দীগ্রাম থেকে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দল ভোটে জিতলেও নিজের কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরে যান তিনি।
যদিও তিনি মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসেছিলেন কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে তাঁর মুখ্যমন্ত্রীর গদি বাঁচানোর জন্য আগামী ৬ মাসের মধ্যে কোনও এক বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ভোটে জয়ী হতেই হবে। এরপর শোনা ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় জিতলেও নিজের বিধায়কের পদ ত্যাগ করেন তিনি। আশা করা হয়, সেই কেন্দ্র থেকেই ভোটে দাঁড়াবেন মমতা।
আরও পড়ুন- উপনির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করে দিল বিজেপি, একাধিক কেন্দ্রে দেখা মিলতে পারে নতুন মুখের
রাজ্যে উপনির্বাচন নিয়ে বিগত কিছুদিন ধরে কথাবার্তা চললেও দিনক্ষণ স্থির হচ্ছিল না। রাজ্যের পাঁচটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন ও দুটি কেন্দ্রে সাধারণ নির্বাচন বাকী। রাজ্যের শাসকদল চায় এখনই উপনির্বাচন সেরে ফেলতে।
উপনির্বাচনে বিজেপির সম্মতি ছিল না। তবে শেষমেশ রাজ্যের তিন কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। জানা গিয়েছে, আগামী ৩০শে সেপ্টেম্বরই হতে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাগ্য নির্ধারণ। এদিন ভবানীপুর কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে। সেখানকার সম্ভাব্য প্রার্থী হলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন ভোট হবে মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুরেও। এরপর ৩রা অক্টোবর হবে ভোট গননা। ওই দিনই ভোট হবে ওডিশার পিপলি কেন্দ্রেও।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!