সামনেই বাংলায় বিশাল পরীক্ষা সব ধরনের রাজনৈতিক দলের জন্য। কারণ আর হাতে গোনা কয়েক মাস বাদেই বিধানসভা নির্বাচন। নির্বাচনের সূচি ঘোষণা না হলেও তৃণমূল সরকারই যে ফের বাংলার মসনদ হাসিল করবে সেই ব্যাপারে একপ্রকার আত্মবিশ্বাসী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাঁকুড়ার সিধু কানহু স্টেডিয়ামে সরকারি অনুষ্ঠান থেকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, ‘আমরাই ক্ষমতায় ফিরব। আগামী জুন পর্যন্ত নিখরচায় রেশন পাবেন বাংলার মানুষ। ক্ষমতায় ফিরে এসেই সুবিধার সময়কাল বাড়িয়ে দেবে সরকার।’
পশ্চিমবঙ্গ প্রশাসনের নতুন প্রকল্প দুয়ারে দুয়ারে সরকারের ঘোষণা করে মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলার আপামর সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দিতে ১ লা ডিসেম্বর থেকে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেন।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে নিজেকে সুশাসক হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে তৎপর বাংলার বর্তমান শাসিকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরকারি কল্যাণ প্রকল্পের সুবিধা সবার কাছে পৌঁছে দিয়ে মানুষের মন জয় করতে চান তিনি।
এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের এই কর্মসূচির বিরুদ্ধেই মুখ খুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সোমবার এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি নিজের বক্তব্যে বলেন, সরকারের টাকা খরচ করে দলের প্রচার করতেই এই প্রকল্প।
আজ থেকেই রাজ্যজুড়ে শুরু হয়ে যাচ্ছে তৃণমূল সরকারের ‘দুয়ারে দুয়ারে সরকার’ এই কর্মসূচি। এইজন্য রাজ্যজুড়ে ৪ পর্যায়ে ২০,০০০ ক্যাম্প হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়।
গতকাল অর্থাৎ সোমবার বিকেলে এক সাংবাদিক বৈঠকে দিলীপবাবু বলেন, ‘উনি দলের মঞ্চ থেকে সরকারি কর্মসূচি ঘোষণা করে দেন। ওনার দলের মুখপাত্র সরকারি প্রকল্পের ঘোষণা করছেন, ওদিকে মুখ্যসচিব একই কথা বলছেন। সরকার আর পার্টি বলে আলাদা কিছু নেই। সরকারি টাকা পার্টির টাকা হয়ে গিয়েছে এখন’।





