বিজেপি করার ‘অপরাধ’! বাড়িতে ঢুকে বিজেপি কর্মীকে মারধর, স্ত্রীর শ্লীলতাহানি, অভিযোগের তীর শাসক দলের দিকে

বিজেপি করার ‘অপরাধে’ এক ব্যক্তির বাড়িতে ঢুকে তাঁকে বেধড়ক মারধর ও বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এমনকি, ওই বিজেপি কর্মীর স্ত্রীর শ্লীলতাহানি করারও অভিযোগ করা হয়েছে। তবে শাসক দলের তরফে সমস্ত অভিযোগ নাকোচ করে পাল্টা দাবী করা হয় যে এই ঘটনা বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দলের ফল। ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির খানাকুলে।

জানা গিয়েছে, ওই বিজেপি কর্মীকে মারের হাত থেকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন বিজেপি কর্মীর বৃদ্ধা মা-ও। এই ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে এলাকায়। দোষীদের শাস্তির দাবী তুলে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় গেরুয়া শিবির। এই ঘটনায় মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ দায়ের করা হলেও কেউ এখনও গ্রেফতার হয়নি।

খানাকুলে এমন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা অবরোধের জেরে বন্ধ হয়ে যায় নানান রুট। আক্রান্ত ব্যক্তি এলাকায় বিজেপি কর্মী হিসেবেই পরিচিত। এলাকায় সংগঠনের দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। অভিযোগ, গতকাল, বৃহস্পতিবার রাতে বেশ কিছু যুবক আচমকাই চড়াও হয় তাঁর বাড়িতে। তাঁকে বাড়ি থেকে টেনে বের করে এনে মারধর করা হয়। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে তাঁর বৃদ্ধা মা-ও আক্রান্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ।

বিজেপি কর্মীর দাবী, সংগঠন করার ‘অপরাধে’ই এলাকার শাসক দলের লোকজন ব্যাপক মারধর করেছেন। বিজেপি কর্মীর স্ত্রী বলেন, “বাড়িতে ঢুকে আমার স্বামীর ওপর চড়াও হয়। আমার শাশুড়ি, শ্বশুরকেও মারধর করা হয়। আমি প্রতিবাদ করতে যাই। আমারও শ্লীলতাহানি করা হয়। আমার জামাকাপড় ছিঁড়ে দেয়”।

বিজেপি নেতার বক্তব্য, “আমাদের দলীয় কার্যকর্তাকে বাড়িতে ঢুকে তৃণমূলের যুব সভাপতি নেতৃত্বে হামলা হয়েছে। মাকে ফেলে মারধর করা হয়েছে। কাঠারি দিয়ে কোপ মেরেছে। মাথায় বন্দুক ঠেকিয়েছে”।

তবে এই ঘটনার কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে তৃণমূলের তরফে। তাদের পাল্টা দাবী বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দলের কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার কথায়, “বিজেপির ছেলেরা সবসময় এলাকা উত্ত্যক্ত করার চেষ্টা করছে। সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন অভিযোগ। অধিকাংশই মদ খাওয়া মাতাল ছেলে। নিজেদের মধ্যেই ঝামেলা করেছে”।

আরও অন্যান্য খবর