এই বছরে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন প্রায় আসন্ন। এই বছরের নির্বাচনে যে বেশ বড়সড় ধামাকা হতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য। নির্বাচনের আগেই রাজ্য পরিদর্শনে তিন সফরে এসেছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। রাজ্যে এসেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরার কড়া বার্তা দিয়ে বলেন যে রাজ্যে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে তৎপর কমিশন।
এও ঘোষণা করা হয়েছে যে, এই বছর বিধানসভা নির্বাচনে কোনও দায়িত্বে থাকবে না সিভিক পুলিশ। পক্ষপাত করাতেই যে তাদের এই সিদ্ধান্ত, তা বেশ স্পষ্ট। এর আগের নানান নির্বাচনে কমিশন যে সমস্ত আধিকারিকদের যথেষ্ট কাজ না করার জন্য পদ থেকে বহিষ্কার করে, পরে দেখা গিয়েছে, তাদেরই রাজ্য সরকার কোনও উচ্চপদে চাকরি দেয়। এমন একচোখা ব্যবহার রাজ্যে কেন? এই নিয়ে প্রশ্ন তোলে নির্বাচন কমিশন। এসব ঘটনা নজরে রেখেই নির্বাচনের বেশ আগেই এমন কড়া সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে।
রাজ্যের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে মোতায়েন করা হবে পর্যাপ্ত পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনী। এদিন সফরের শেষ দিনে নানান রাজনৈতিক দলগুলির তোলা অভিযোগ নিয়েও মন্তব্য করেছেন সুনীল অরোরা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে তৃণমূলের মুখ্যসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “রাজ্যের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে ভয় দেখাচ্ছে বিএসএফ। নির্দিষ্ট একটি দলকে ভোট দিতে চাপ দিচ্ছে তাঁরা”।
এই বিষয়ে সুনীল অরোরা বলেন, “বিএসএফ দেশের অন্যতম সেরা বাহিনী। রাজনৈতিক যুদ্ধের ময়দানে তাদের টানা উচিত নয়”। পার্থবাবুর অভিযোগের সপক্ষে প্রমাণও চাওয়া হয়েছে।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের নেতৃত্বে কমিশনের দল রাজ্যে পুলিশ ও প্রশাসনের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক সেরেছে। সুনীল অরোরা জানিয়েছেন যে কেন্দ্রীয় বাহিনী সঙ্গে রাজ্য পুলিশকে সমন্বয় রাখতে হবে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটের জন্য কমিশন জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে বলেই জানা গিয়েছে।





