আজকের নির্বাচন নিয়ে বারাসতের প্রাক্তন বিধায়ক এবং জনপ্রিয় অভিনেতা চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী কিছুটা বিভ্রান্তির শিকার হলেন। ভোট দিতে গিয়ে তিনি একটি বড় যান্ত্রিক সমস্যার মুখোমুখি হন। বারাসতের চারুচন্দ্র কলেজে গিয়ে ইভিএমের সমস্যা দেখা দেয়, যার কারণে তিনি ভোট দিতে পারলেন না। তবে এই পরিস্থিতিতে চিরঞ্জিৎ কোনো ধরনের হতাশা বা ক্ষোভ প্রকাশ করেননি। বরং, তিনি জানান যে কিছু সময় পরেই তিনি আবার ভোট দিতে আসবেন। এই ঘটনার পর, তার মধ্যে কোনো ধরনের উত্তেজনা বা মেজাজ হারানোর চিহ্ন ছিল না, যা অনেকেই প্রশংসা করেছেন।
চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী বিষয়টি নিয়ে খুবই শান্তভাবে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, “ইভিএমে সমস্যা হতেই পারে, এতে কোনো আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। আমি নিজে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েছি, তাই জানি যে মেশিনে ত্রুটি হলে সেটি ঠিক হতে কিছু সময় লাগবে।” অভিনেতা আরও বলেন, ভোট দেওয়া তার কাছে কোনো উৎসব নয়, বরং এটি একটি নাগরিক দায়িত্ব। এর মাধ্যমে তিনি দেশের প্রতি তার দায়বদ্ধতা প্রমাণ করেছেন। তিনি দৃঢ়ভাবে জানিয়েছেন যে, ভোট দিতে না পারলেও তিনি আবারও এসে ভোট দেবেন।
তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন সাংসদ চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী ২০১১ সাল থেকে বারাসতের বিধায়ক হিসেবে তিনবার দায়িত্ব পালন করেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেছিলেন। তবে এবার, ২০২৬ সালের নির্বাচনে তিনি আর প্রার্থী হচ্ছেন না। বয়সজনিত কারণে তিনি নিজেই দলের কাছে অব্যাহতি চেয়েছিলেন, যা দল সম্মান করে গ্রহণ করেছে। নির্বাচনী চাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার পর, ভোট দেওয়ার প্রতি তার মনোভাব আরও দৃঢ় হয়েছে, এবং তিনি ইভিএমের সমস্যা সত্ত্বেও হতাশ হননি।
আরও পড়ুন: যৌ’ন হেন’স্তার হুম’কি আসছে দিনরাত! বাধ্য হয়ে সাইবার ক্রাইম শাখায় অভিযোগ দায়ের রূপাঞ্জনা মিত্রের! কার বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠলেন অভিনেত্রী?
এছাড়া, চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী আরও বলেছেন যে, ভোট দেওয়া তার কাছে কেবল একটি দায়িত্ব। তিনি মনে করেন, ইভিএমের সমস্যা সাময়িক এবং তা খুব তাড়াতাড়ি ঠিক হয়ে যাবে। তার মতে, দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা পালন করাই আসল লক্ষ্য। এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি সাধারণ ভোটারদের কাছে একটি শক্তিশালী বার্তা দিয়েছেন, যা তাদের ভোটের গুরুত্ব বুঝতে সাহায্য করবে। তার এই মন্তব্যের মাধ্যমে, দেশের প্রতি একটি দৃঢ় সংকল্পের প্রকাশ ঘটে।
চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী ভোট কেন্দ্রের বাইরে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কিছু সময় বিশ্রাম নেন। এরপর তিনি আবার ভোট দিতে ফিরে আসবেন বলে জানিয়েছেন। তবে, শেষ পর্যন্ত তিনি ভোট দিতে পেরেছেন কি না, সে বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তবুও, তার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা পরিষ্কার, এবং তিনি জানান, ভোট না দেওয়ার ঘটনাটি তার মনোবলকে ভেঙে দিতে পারেনি। তিনি আগামীতে ভোট দিতে ফিরে আসবেন, এবং দেশের প্রতি তার দায়বদ্ধতা কখনোই কমবে না।





