দেশে ফের লাগামছাড়া করোনা। দেশ জুড়ে সচেতনতার লেশমাত্রও আর চোখে পড়ে না। করোনা হয়তো চলে গেছে ভাবতে ভাবতেই সেকেন্ড ওয়েভের ধাক্কা ভারতে।
বেলাগাম পরিস্থিতিকে সামলাতে মহারাষ্ট্র, দিল্লিতে লকডাউন। এরইমধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিল আইসিএমআর। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ বা আইসিএমআর-এর প্রধান আজ সংবাদসংস্থাকে জানিয়েছেন, করোনার এই দ্বিতীয় ওয়েভ আগের থেকে কম শক্তিশালী। অর্থাৎ সংক্রমণের ভয়াবহতা কম। ১০,০০০ মানুষের উপরে এক সমীক্ষা করে আইসিএমআর জানিয়েছে, করোনার প্রথম ও দ্বিতীয় ঢেউয়ে মৃত্যু হারে খুব কম পার্থক্য রয়েছে।
আরও পড়ুন- ফের করোনার জেড়ে রাজ্য জুড়ে বন্ধ হতে চলেছে স্কুল
আইসিএমআর প্রধানের কথায়, এবার করোনা রোগীদের মধ্যে শ্বাসকষ্টের উপসর্গ অনেকটাই বেশি। তবে আগের বারের মতো শুকনো কাশি, গাঁটে ব্যথা ও মাথার যন্ত্রণার মতো উপসর্গ কম। করোনা চিহ্নিত করতে আরটিপিসিআর টেস্টই সবচেয়ে সেরা। দুটি জিনের উপরে এই টেস্ট হয় । ফলে ধরা না পড়ার কোনও কারণ নেই l
If you see the symptoms, severity is very less this time. In this wave, we have witnessed more cases of breathlessness while in the last wave, symptoms like dry cough, joint pain, headaches were more: ICMR DG Dr. Balram Bhargava pic.twitter.com/Sn6AxBcVbc
— ANI (@ANI) April 19, 2021
করোনার নতুন ঢেউ সম্পর্কে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল বিশেষজ্ঞ শুভ্রজ্যোতি ভৌমিক বলেন, তবে এবারে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। প্রথমবার দৈনিক ১ লাখ মানুষ সংক্রমিত হতে ৫০ দিন লেগেছিল। সেখানে এবার আমরা ১০ দিনে আমরা সেই জায়গায় পৌঁছেছি। আমি মনে করি, এই রোগ ছোঁয়াছে অনেক বেশি। ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে ৪৫ বছরে বেশি বয়স্কদের। ফলে এবার দেখা যাচ্ছে ১৮-৪৫ বছরের মানুষের মধ্যে সংক্রমণ বেশি হচ্ছে। শ্বাসকষ্টের বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ মানুষকে বলব মাস্ক পরে থাকুন। খুব খারাপ দিন সামনে আসছে।
আরও পড়ুন- ভোটপ্রচারে ‘বহিরাগত’-দের নিয়ন্ত্রণ করতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করে চিঠি মুখ্যমন্ত্রী’র
আইএমএ-র রাজ্য সভাপতি শান্তনু সেন বলেন, আগে থেকে সতর্ক হলে করোনা পরিস্থিতি এই অবস্থায় পৌঁছাত না। দ্বিতীয়বার ভাইরাসটা মিউটেট করেছে। এতে তরুণরা বেশি সংক্রমিত হচ্ছে।






