কালীপুজোর আগে ফের আতঙ্ক রাজ্যে, রাজ্যে ফের বাড়ল সংক্রমণের হার

সামনেই কালীপুজো, এর আগেই ফের বাজারে নেমেছে মানুষের ঢল। এর উপরে পাল্লা দিয়ে নামছে পারদের কাঁটা। এমনিতেই শীতকালে করোনা ভাইরাসের রমরমা নিয়ে আগের থেকেই সতর্ক করেছিলেন চিকিৎসক মহল। তাপমাত্রা কমলে ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়বে, এমনই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল। এর উপর উৎসবের কারণে রাস্তায়, বাজারে মানুষের ঠেসাঠেসি ভিড়ের জন্য সংক্রমণও বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। কিন্তু এর পরেও সাধারণ মানুষের হুঁশ ফেরেনি।

এদিকে, কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগণা জেলায় করোনা নিজের দাপট চালাচ্ছে বহাল তবিয়তে। তাঁর সঙ্গে ক্রমশ চাপ বাড়ছে স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে। রাজ্যে সুস্থতার হার বাড়লেও করোনায় মৃত্যু কিন্তু দমেনি।

স্বাস্থ্য ভবন থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, কলকাতায় একদিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৮৬১ ও উত্তর ২৪ পরগণায় একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা আগের তুলনায় সামান্য কম ৮৫২। সব জেলাকে পিছনে ফেলে করোনা আক্রান্তের দিক দিয়ে শীর্ষে উঠে এসেছে কলকাতা।

অন্যদিকে, বুলেটিন অনুযায়ী, একদিনে এ রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৯০৭ জন ও একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৫৬ জন। এর মধ্যে কলকাতায় মৃত্যুর সংখ্যা ১৩ জন ও উত্তর ২৪ পরগণায় মৃত্যুর সংখ্যা ১৪। এ পর্যন্ত বাংলায় মোট মৃতের সংখ্যা ৭৩৫০ জন।

সোমবারের স্বাস্থ্য ভবনের করোনা বুলেটিন অনুযায়ী, রাজ্যে একদিনে সেরে উঠেছেন ৪ হাজার ৩৯৬ জন। তাই মোট কোভিডজয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩,৬৭,৮৫০ জন। সুস্থতার হার অক্টোবরের শুরুর থেকে সামান্য বেড়ে ৮৭. ৪৫ শতাংশ থেকে ৮৯.৮৯ শতাংশে।

প্রসঙ্গত, করোনার ঝুঁকি কমাতে কলকাতা হাইকোর্ট থেকে এ বছর কালীপুজোর মণ্ডপ দর্শকহীন করার রায় দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া, এই সময় দূষণ কমাতে এই বছর বাজি বিক্রি ও বাজি ফাটানোর উপরেও সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে হাইকোর্ট। চিকিৎসকদের দাবি ছিল, বাজিতে বায়ুদূষণ বেশী হলে তা করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য মারাত্বক আকার ধারণ করতে পারে।

RELATED Articles