ফের গণধ’র্ষ’ণের অভিযোগ রাজ্যে। মূক ও বধির নাবালিকাকে টেনে হিঁচড়ে স্কুলের মধ্যে নিয়ে গিয়ে গণধ’র্ষ’ণের অভিযোগ উঠল। ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের মোথাবাড়ি এলাকায়। ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতেই তুমুল উত্তেজনা শুরু হয়েছে ওই এলাকায়।
কী ঘটেছে ঘটনাটি?
জানা গিয়েছে, ওই নির্যাতিতার বাড়ি মোথাবাড়ি এলাকায়। বাড়ির কাছের রাস্তাতেই খেলছিল সে। অভিযোগ, আচমকাই তিনজন যুবক এসে জোর করে তাকে তুলে নিয়ে যায় এক স্থানীয় স্কুলে। স্কুলে ছুটি ছিল। ফলে কেউ ছিল না সেই সময় স্কুলে। সেই সুযোগেই ওই নাবালিকার ওপর অত্যাচার চালায় অভিযুক্তরা।
পরিবার সূত্রে খবর, ওই নাবালিকা বাড়ির সামনেই রাস্তায় হাঁটাচলা করছিল। সেখান থেকে জোর করে তাকে টেনে হিঁচড়ে পাশের স্কুলে নিয়ে যায় তিন যুবক। মূক ও বধির হওয়ার কারণে সেভাবে চিৎকারও করতে পারেনি ওই নাবালিকা। স্কুলের মধ্যেই তার সঙ্গে অভব্য আচরণ করে। সেখানেই নাবালিকাকে ফেলে রেখে পালায় অভিযুক্তরা।
এদিকে নাবালিকাকে না পেয়ে খোঁজ শুরু করেন তার পরিবারের সদস্যরা। স্কুলের মধ্যে থেকে উদ্ধার করা হয় নাবালিকাকে। পরিবারের সদস্যরা জানান, নাবালিকার পরিভাষা থেকে তারা গোটা ঘটনার কথা জানতে পারেন। এরপরই তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তারা। কিন্তু ওই তিনজনকে নাবালিকা চেনেন না। ফলে তাদের এখনও শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের মার্চ মাসে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে স্কুলের মধ্যে গণধ’র্ষ’ণ করার অভিযোগ ওঠে এই মালদহ থেকেই। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতি উত্তাল হয়। ওই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। এবার ফের সেরকমই এক ঘটনা ঘটল সেই মালদহেই।





