তৃণমূলের সঙ্গে শেষ সমস্ত সম্পর্ক! শুভেন্দুকে দলে নেওয়ার জন্য আমরা প্রস্তুত, জানালেন দিলীপ ঘোষ

অতঃপর সমস্ত জল্পনার অবসান। ছিন্ন দিদি-ভাইয়ের সম্পর্ক। সরকারি পদ, মন্ত্রিত্ব আগেই ছেড়েছিলেন এবার বিধানসভায় গিয়ে বুধবার বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিলেন তিনি। যখন বিধানসভায় পৌঁছন‌ শুভেন্দু, ততক্ষণে বেরিয়ে গিয়েছেন বিধানসভার স্পিকার  বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তাতেও আটকে থাকেনি ইস্তফা প্রক্রিয়া। রীতিমাফিক বিধানসভার সচিবের হাতেই নিজের ইস্তফাপত্র তুলে দেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক, রাজ্যের প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী। স্পিকারের কাছে ইমেল মারফত ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন‌ তিনি।
এবার শুভেন্দুর বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া নিয়ে মুখ খুলল বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। ‌
‘বাংলার গণ আন্দোলনের পক্ষে বড় সিদ্ধান্ত’, বললেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। তৃণমূলত্যাগী এই শীর্ষ বিজেপি নেতার প্রতিক্রিয়া, ‘শুভেন্দু তৃণমূল ছেড়েছেন, অত্যন্ত সুখবর। বাংলার গণ আন্দোলনের পক্ষে বড় সিদ্ধান্ত।’ মুকুল রায় আরও বলেন, ‘পয়সা নিয়ে কাজ করছে নাকি দলে কোনও পদে আছে, প্রশান্ত কিশোরকে নিয়ে অবস্থান এখনও স্পষ্ট করেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যাঁরা তৃণমূল করছেন, তাঁদের দমবন্ধ হয়ে আসছে। আমি মনে করি, শুভেন্দু বিজেপিতে এলে ভালো হবে। সুযোগ হলে কথা বলব।’
তৃণমূল ভাঙার হুমকি দিয়েছিলেন যে বিজেপি নেতা শুভেন্দুর বিধায়ক পদ ছাড়ায় শাসক দলকে কটাক্ষ করেছেন তিনিও। দিলীপ ঘোষ বলেন,  ‘শুধু শুভেন্দু নন, দলের যাঁরা সিনিয়র লিডার, যাঁদের জন্য দল ক্ষমতায় এসেছে, তাঁরা তৃণমূল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। তৃণমূলে নিশ্চয়ই কোনও গন্ডগোল আছে। দলে এলে স্বাগত জানাব। আমরা নেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছি।’  দিলীপ ঘোষের দাবি, ‘পিকে-র টিমের সদস্যরা রোজই দলের নেতা-সাংসদ-বিধায়কদের তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কথা বলছে। কিন্তু একজন বুথস্তরের কর্মীও বিজেপি ছেড়ে যাবে না।’

আরও অন্যান্য খবর