আর জি কর কলেজ ও হাসপাতালে (R g kar College and hospital) তরুণী চিকিৎসক পড়ুয়া খুনের ঘটনায় উত্তাল হয়ে আছে রাজ্য রাজনীতি। ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) মোহনবাগান (Mohun Bagan) এক হয়ে প্রতিবাদ করছে। ন্যায় বিচারায় আশায় পথে নামছে সাধারণ মানুষ থেকে চিকিৎসকরা । এই পরিস্থিতিতে অনেক দুর্গাপুজো (Durga Puja) কমিটিকে দেখা যাচ্ছে সাহসী পদক্ষেপ নিতে। অনেক দুর্গা পুজো কমিটি, দুর্গাৎপুজোর অনুদান বাবদ রাজ্য সরকারের থেকে পাওয়া টাকা প্রত্যাখ্যান করছেন।
সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রথম থেকেই এই নিয়ে একপ্রকার দাবী উঠেছে যে, এই বছর যেন দুর্গা পুজোতে যেন শুধু নিয়ম রক্ষা করা হয়, ঘরের মেয়ের বিচার না পাওয়া অবধি যেন উৎসবে না মাতেন মানুষ। তবে আরজিকর কাণ্ডের সাথে বাঙালির সবথেকে বড় উৎসবের এই বয়কট মাথায় ঘাম ফেলেছে অনেকেরই। কারণ দুর্গাপূজো অনেকের কাছেই শুধু নিছকই উৎসব নয়।
বেলুন ওয়ালা থেকে পুতুল বিক্রেতার মতো অনেক সাধারন মানুষ দুর্গাপুজোর আশায় থাকেন তাদের দুটো রোজগার হবে ভেবে। তাই আর জি কর কাণ্ডের জন্য দুর্গাপুজো বয়কটের ডাক দেওয়ার পাশাপাশি একদল মানুষ এটাও বলেছেন যে, এই খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের পেটে যেন লাথি না পড়ে সেই বিষয়টাও মাথায় রাখতে হবে।
এরই মধ্যেখানে অনেক দুর্গাপুজো কমিটি আবার সরকারি অনুদান বাবদ পাওয়া ৮৫,০০০ টাকা নেবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। যার ফলে একদিকে যেমন ক্ষোভ বেড়েছে তেমনি প্রচুর মানুষ এই টাকা প্রত্যাখ্যান করা পুজো কমিটিদের সমর্থন করে বলেছেন যে, তারা তাদেরকেই টাকা দেবেন, যারা সরকারি অনুদান প্রত্যাখ্যান করবেন।
এই পরিস্থিতিতে ফোরাম ফর দুর্গোৎসব বিবৃতি দিয়ে একটি আবেদন করেছে, দুই মাস পর বাঙালির সবথেকে বড় উৎসব দুর্গাপুজোয় যেন আরজি কর কাণ্ডের ছায়া না পড়ে। তবে অনেকেই এই বক্তব্যকে সমর্থন করেন নি বাংলার এক মেয়ে যেখানে নৃশংস অত্যাচারের শিকার সেখানে মায়ের আরাধনাকে উৎসব রূপে পালনের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছেন অনেকে।





