যেমন পূর্বাভাস ছিল, তেমনটাই হল। মঙ্গলবারই বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে গভীর নিম্নচাপ। আজ, বুধবার দুপুর থেকেই সেই ঘূর্ণিঝড় দাপট দেখাতে শুরু করে দেবে। প্রবল বৃষ্টির আশঙ্কা। নানান প্রান্তে এই ঘূর্ণিঝড় দাপট দেখাতে পারে বলে খবর। বাংলায় কী প্রভাব পড়বে এই ঘূর্ণিঝড়ের?
এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম ফেঙ্গল। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সোমবার রাত থেকেই বেশ বৃষ্টি শুরু হয়েছে তামিলনাড়ুতে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে বৃষ্টির তীব্রতা। এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব সরাসরি না হলেও পরোক্ষভাবে পড়বে বাংলায়। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, গভীর নিম্নচাপের প্রভাব দেখা যাবে বঙ্গে।
এই নিম্নচাপের জেরে বাংলায় শীতের পথে আসবে কাঁটা। এর জেরে উপকূলের চার জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। শনিবার থেকে সোমবারের মধ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দুই ২৪ পরগণা ও পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে বলে খবর।
এই নিম্নচাপের প্রভাব দেখা যাবে উত্তরবঙ্গেও। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে আগামী ২৪ ঘণ্টায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবার দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় আগামী ২৪ ঘণ্টায় শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। আবার ইতিমধ্যেই বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অতিগভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। বুধবারের মধ্যে সেটিও ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে।
এই ঘূর্ণিঝড়ের কারণে মৎস্যজীবীদের সতর্ক করা হয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। শ্রীলঙ্কা ও তামিলনাড়ু উপকূলে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
এই নিম্নচাপের জেরে বঙ্গে তাপমাত্রা বাড়তে পারে বলে খবর। আজ, বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রির ঘরে। আগামী ৩ দিনে তাপমাত্রা ২-৩ ডিগ্রি বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে। নভেম্বরের শেষের দিকে রাতের তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রির ঘরে থাকতে পারে।





