সেমিনার হল রাতে তালাবন্ধ থাকে, ঘটনার দিন খুলল কে? বিভাগীয় প্রধানের মন্তব্যে বাড়ছে রহস্য, কী ঘটেছিল সেই রাতে আর জি করে?

Head of the Chest Department Said Seminar Hall Used to Lock: আর জি করে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় ধোঁয়াশা কাটছেই ন। প্রতি মুহূর্তে এমন কিছু খবর আসছে যা রহস্য আরও বাড়াচ্ছে।   দিকে দিকে চলছে প্রতিবাদ, বিক্ষোভ। এবার আর জি করের চেস্ট বিভাগের প্রধানের কিছু মন্তব্য নতুন করে তৈরি হল রহস্য। বিভাগীয় প্রধানের কথায়, আর জি করের ওই সেমিনার হলে প্রতিদিন রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ তালা পড়ে যায় (Head of the Chest Department Said Seminar Hall Used to Lock)। তাহলে ঘটনার দিন রাতে তালা খুলেছিল কে?

আর জি করের ঘটনার তদন্তভার গিয়েছে সিবিআইয়ের উপর। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় অভিযুক্তকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছেন আধিকারিকরা। আর জি করের নানান কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করবেন সিবিআই আধিকারিকরা। সেই কারণেই হাসপাতালে আসেন চেস্ট বিভাগের প্রধান অরুণাভ দত্ত চৌধুরী। আর এদিনই এক বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন তিনি যা ফের তৈরি করেছে রহস্য (Head of the Chest Department Said Seminar Hall Used to Lock)।    

এদিন হাসপাতালে এসে সংবাদমাধ্যমের সামনে অরুণাভ দত্ত চৌধুরী বলেন, “প্রকৃত দোষীকে খুঁজে বের করতে হবে। সিবিআই হোক বা যা-উ হোক, সে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বুঝবেন। কিন্তু চরমতম শাস্তি চাই। ও আমার মেয়ের মতো। অপরাধী ধরা পড়ুক” (Head of the Chest Department Said Seminar Hall Used to Lock)। তাঁর কথায়, তিনি এই গোটা ঘটনায় স্তম্ভিত।

যে সেমিনার রুমে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে, সেই সেমিনার রুমের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন করা হয় বিভাগীয় প্রধানকে। তিনি এই বিষয়ে বলেন, “এমনিতে সেমিনার রুমটিতে তালা দেওয়া থাকে। সেদিনও ৪-৫টা পর্যন্ত ক্লাস হয়েছে, তার পর বন্ধ করে দেওয়া হয়। রাত ৮.৩০টার পর এমনিতেই তালা দিয়ে দেওয়া হয় রোজ। চাবি থাকে ফ্লোরের সিস্টার ইনচার্জের কাছে। পড়াশোনার জন্যই সেমিনার রুমটি ব্যবহৃত হতো। রাতে কী হয়, কেউ তালা খোলে কি না বলতে পারব না” (Head of the Chest Department Said Seminar Hall Used to Lock)

তাহলে এবার প্রশ্ন উঠতেই পারে, যে সেমিনার রুম প্রতিদিন রাত সাড়ে ৮টায় তালাবন্ধ হয়ে যায়, সেই সেমিনার রুম ঘটনার দিন খুলেছিল কে? তবে বিভাগীয় প্রধানের মন্তব্যের সঙ্গে আবার নার্সিং সুপারের দাবী মিলল না। তিনি আবার এই তালা দেওয়া বা খোলা নিয়ে অন্য কথাই জানালেন।

সিস্টার ইন চার্জ কৃষ্ণা সাহা আবার জানান, সেমিনার রুমের চাবি কারোর দায়িত্বে থাকে না। চাবি রাখা থাকে নার্সিং স্টেশনের এক বাক্সে। সেখান থেকে চাবি নেওয়া হয়। চিকিৎসকরাও সেখান থেকেই চাবি নেন। লিখিত অনুমতি ছাড়া নার্সিংয়ের কেউ চাবি নেন না। নানান সময় শিক্ষামূলক কোনও অনুষ্ঠানে যাওয়া হলেও নার্সদের লিখিত অনুমতি নিতে হয় বলে জানান তিনি। তাহলে এবার সবথেকে বড় প্রশ্ন, সেদিন রাতে সেমিনার রুমের তালা কে খুলেছিল (Head of the Chest Department Said Seminar Hall Used to Lock)?

আরও অন্যান্য খবর