একদিকে দেশে করোনা আতঙ্ক অন্যদিকে জ্যৈষ্ঠের শুরুতেই ঝলসে যাওয়া গরমে নাভিশ্বাস উঠে যাওয়ার অবস্থা। এখনো পুরো মাস বাকি। বঙ্গে বর্ষা আসতে এখনো বেশ কিছুদিন বাকি।কিন্তু বৈশাখের সঙ্গে বিদায় নিয়েছে কালবৈশাখীও। এই পরিস্থিতিতে আগামী কয়েকদিন দক্ষিণবঙ্গে ব্যাপক দাবদাহের সম্ভাবনা রয়েছে।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর পূর্বাভাস দিয়েছে, সপ্তাহের শেষে নাকি পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিমের একাধিক জেলার তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারে। কলকাতাতেও এই পারদ পৌঁছতে পারে ৩৯ ডিগ্রির কাছাকাছি। বুধবার পুরুলিয়ার নিকটবর্তী অঞ্চল ও ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রিতে পৌঁছেছে।
হাওয়া অফিস ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় আগামী ২ থেকে ৩ দিন তাপপ্রবাহ হতে পারে। কালবৈশাখীর আবহে কিছুদিন দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা একটু কমের দিকে ছিল। কিন্তু কালবৈশাখীর বিদায়ের পরবর্তী সময়েই সারা দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে গরমের প্রচন্ড দাবদাহ টের পাওয়া যাচ্ছে কয়েকদিন ধরেই। পূর্বাভাস অনুসারে আগামী সোমবার পর্যন্ত পারদ আরো বাড়বে কিন্তু কমবে না।
আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, রবিবার আসানসোল জেলার পারদ ৪০ ডিগ্রিতে পৌঁছাতে পারে। এমনকি ৩৯-এ পৌঁছতে পারে বাঁকুড়া। সঙ্গে বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি থাকায় আরও অস্বস্তি বাড়বে। শনি থেকে সোমবার দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৮ – ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কোথাও কোথাও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রিও ছাড়াতে পারে বলেও অনুমান করা হচ্ছে।
তবে বঙ্গোপসাগরের ওপর যে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়ে তার জেরে যে ঘূর্ণিঝড় আমফান তৈরি হয়েছে মঙ্গলবার থেকে তার জেরে তাপমাত্রা কমতে পারে। তবে উত্তরবঙ্গে প্রায় রোজই এখন কালবৈশাখীর সম্ভাবনা থাকায় সেখানে আবহাওয়া মনোরম থাকবে।উত্তরবঙ্গের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ – ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যেই ঘোরাফেরা করবে।






