গত মঙ্গলবার থেকে স্বাস্থ্য ভবনের বাইরে অবস্থান বিক্ষোভ চলছে জুনিয়র চিকিৎসকদের। তুমুল বৃষ্টিও তাদের এই অবস্থান থেকে হটাতে পারে নি। তাদেরই উপরেই এবার হামলার ছকের অভিযোগ উঠেছে। সেই কারণে নিরাপত্তার খাতিরে ধর্নাস্থলে বসানো হল ১৪টি সিসিটিভি। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে উঠছে প্রশ্ন।
গতকাল, শুক্রবার তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ একটি অডিও ক্লিপ শেয়ার করে অভিযোগ করেন, বাম ও অতিবামদের তরফে জুনিয়র চিকিৎসকদের উপর হামলা করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। শাসক দলের উপর দায় চাপাতেই এই ছক কষা হয় বলে দাবী করেছিলেন তিনি। যদিও চিকিৎসকদের তরফে এই অভিযোগের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
এবার সেই কারণে আন্দোলনরত চিকিৎসকদের নিরাপত্তা বাড়াল পুলিশ। ধর্নাস্থলের চারপাশে বসানো হয়েছে ১৪টি সিসিটিভি ক্যামেরা। সেই ক্যামেরার ফুটেজ যাবে বিধাননগর ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানায়। তবে আন্দোলনকারীদের প্রশ্ন, তাদের উপর নজর রাখার জন্য এই সিসিটিভি নয় তো?
আন্দোলনকারীরা এই ব্যবস্থা সম্পর্কে জানাচ্ছেন, যারা হামলা করতে আসবেন, তারা তো আর জানিয়ে আসবেন না। ১৪ আগস্ট রাতে আর জি করে হে হামলা হয়েছিল, সেই কথা মনে করিয়ে আন্দোলনকারীরা বলেন, সেদিন সেখানে সিসিটিভি থেকেও তো কোনও লাভ হয়নি। তাদের দাবী, শাসক দল মিথ্যে রটনা করে আন্দোলন ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
জুনিয়র চিকিৎসকদের দাবী, তাদের ধর্নাস্থল সিসিটিভিতে মুড়ে ফেলা হয়েছে যাতে তাদের উপর নজর রাখা যায়। তাদের ভয় দেখানোর চেষ্টা চলছে বলে দাবী তাদের। তবে তারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তাদের আন্দোলন থেকে তাদের কোনওভাবেই সরানো যাবে না।
প্রসঙ্গত, অন্যদিকে আবার কুণাল ঘোষ যে অডিও ক্লিপ প্রকাশ্যে এনেছেন, তাতে যে দু’জনের গলা শোনা গিয়েছে, সেই ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে দু’জনকে। গতকাল, শুক্রবার রাতে সঞ্জীব দাস নামের একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর আজ, শনিবার সকালে গ্রেফতার করা হয় সিপিএম নেতা কলতান দাশগুপ্তকে।





