খড়দহে ভোটের আগের দিনই করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে তাঁর। সেদিনই ভর্তি হন হাসপাতালে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জীবনযুদ্ধে হেরে গেলেন তিনি। করোনাই প্রাণ কেড়ে নিল খড়দহের তৃণমূল প্রার্থী কাজল সিনহার।
গত বৃহস্পতিবার খড়দহে ভোট ছিল। এর আগেরদিন বুধবার তৃণমূল প্রার্থীর করোনা ধরা পড়ে। এরপর তাঁকে ভর্তি করা হয় বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে। আইসিইউ-তে ভর্তি ছিলেন তিনি। আজ, রবিবার সকালে মৃত্যু হয় তাঁর। পরিবার সূত্রে খবর, বিগত বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি।
গত দশ বছর খড়দহের তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে লড়ে এসেছন অমিত মিত্র। কিন্তু তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ। এই কারণে কাজল সিনহাকে এবারের ভোটের টিকিট দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কাজল সিনহা ছিলেন খড়দহের পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান।
কাজল সিনহার মৃত্যুর খবর গভীরভাবে শোকাহত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। টুইটে তিনি লেখেন, কাজল সিনহার মৃত্যু তাঁর কাছে বড় ধাক্কা। তিনি ছিলেন তৃণমূলের একনিষ্ঠ ও সৈনিক। তিনি মানুষের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। কাজল সিনহার পরিবারকে সমবেদনা জানান মুখ্যমন্ত্রী।
আরও পড়ুন- নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ মমতার বিরুদ্ধে, নির্বাচনের ২৪ ঘণ্টা আগেও প্রচার, বিজেপির চিঠি কমিশনে
এর আগে করোনায় মৃত্যু হয় জঙ্গিপুরের আরএসপি প্রার্থী ও সামশেরগঞ্জের কংগ্রেস প্রার্থীর। এই দুই কেন্দ্রে ভোট স্থগিত রাখা হয়েছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, ভোট হয়ে যাওয়ার পর যদি কোনও প্রার্থীর মৃত্যু হয়, তাহলে ভোট গণনা হবে। গণনায় যদি দেখা যায়, মৃত প্রার্থী জিতেছেন, তাহলে পুনরায় ভোট হবে। যদি তা না হয়, তাহলে যিনি জিতবেন, তাঁকে বিধায়ক করা হবে।






