সিঁথিকাণ্ড থেকে শিক্ষা নিয়ে নয়া নির্দেশিকা জারি করল লালবাজার। ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনও অভিযুক্তকে লক-আপে ঢোকানোর আগে তার মেডিক্যাল টেস্ট করাতে হবে। সাথে করতে হবে জেনারেল ডায়রি। এমনকি অভিযুক্তকে থানা থেকে যদি আদালতেও নিয়ে যাওয়া হয় সেক্ষেত্রেও করাতে হবে মেডিক্যাল টেস্ট। তারপর টেস্টের রিপোর্ট জমা দিতে হবে কলকাতা পুলিশের সদর দফতরে। পুরো থানায় সিসিটিভি সচল আছে কি না তা নিশ্চিত করতে হবে থানার ওসিকে। এছাড়া সুপ্রিম কোর্ট-এর ডি.কে. বসু মামলার নির্দেশিকা মেনে অভিযুক্তদের সঙ্গে ঠিকমত ব্যবহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সব থানার পুলিশকর্মীকে। এর অন্যথা করে যদি কোনও দুর্ঘটনা ঘটে তাহলে তার দায় ওই পুলিশকর্মীর ওপর বর্তাবে বলেও লালবাজার জানিয়েছে।

প্রসঙ্গত, সিঁথি থানায় পুলিসের মারে প্রৌঢ়ের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বিতর্ক চলছেই। একদিকে মৃত রাজকুমার সাউয়ের পরিবার দাবি করেছে, মিথ্যা অভিযোগে তাঁকে থানায় তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর লকআপে তাঁর উপর চলে অকথ্য অত্যাচার। মারধর করা হয় তাঁকে। ইলেকট্রিক শক দেওয়া হয়। পুলিসের মারধরের জন্যেই মৃত্যু হয় রাজকুমার সাউয়ের।






