‘খুল্লামখুল্লা গুণ্ডাগিরি চলছে উত্তরপ্রদেশে, আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়া দেখে আমি স্তম্ভিত’, আতিক এনকাউন্টার প্রসঙ্গে কটাক্ষ মমতার

কড়া পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে সংবাদমাধ্যমের মধ্যে ভিড়ে গিয়ে গুলি করে মেরে ফেলা হয়েছে গ্যাংস্টার আতিক আহমেদ ও তাঁর ভাই আশরাফকে। এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে টুইট করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, উত্তরপ্রদেশের আইনশৃঙ্খলা ভেঙে যাওয়া দেখে তিনি নির্বাক।

এদিন টুইটে মমতা লেখেন, “উত্তরপ্রদেশে আইনশৃঙ্খলা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। এই নৈরাজ্যের পরিস্থিতি দেখে আমি স্তম্ভিত! অপরাধীরা পুলিশ এবং সংবাদমাধ্যমের উপস্থিতিতে আইন হাতে তুলে নিচ্ছে। যা চূড়ান্ত লজ্জার। আমাদের সাংবিধানিক গণতন্ত্রে এ ধরনের বেআইনি কাজের কোনও স্থান নেই”।

https://twitter.com/MamataOfficial/status/1647511822420054016?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1647511822420054016%7Ctwgr%5Ea80ccb640fdc5411d437f2cf89a61aa2a2e5affb%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.sangbadpratidin.in%2Fkolkata%2Fcm-mamata-banerjee-reacts-on-atiq-ahmed-killing-incident%2F

গতকাল, শনিবার আতিক আহমেদ ও আশরফকে এনকাউন্টারে শেষ করার ঘটনায় এখন গোটা দেশ উত্তাল। তুমুল শোরগোল পড়েছে প্রয়াগরাজের এই ঘটনায়। সাংবাদিক সেজে ভিড়ের মধ্যে মিশে জ্ঞিয়ে পুলিশের নিরাপত্তা টপকে গুলি চালানো হয় দুই গ্যাংস্টারের উপর।

যখন আতিক ও আশরাফকে পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে শারীরিক পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, সেই সময় মিডিয়ার সঙ্গে মিশে যায় তিন আততায়ী। আর পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে মেরে দেয় আতিক ও আশরাফকে। এমন ঘটনায় উত্তরপ্রদেশের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিরোধীরা। তৃণমূল রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ প্রশ্ন রেখেছেন, উত্তরপ্রদেশে কী এরপরও ৩৫৬ ধারা জারি করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি? বিজেপি কী বলছে?

আরও অন্যান্য খবর