Narendra Modi on Rohingya menace: লোকসভা নির্বাচনের আর মাত্র ৩ দিন বাকি। আগামী ১৯ এপ্রিল রয়েছে প্রথম দফার ভোট। এই প্রথম দফার ভোট রয়েছে উত্তরবঙ্গের তিন আসনে। উত্তরবঙ্গের তিন আসনে ভোটের আগে আজ, মঙ্গলবার নির্বাচনী প্রচারে উত্তরবঙ্গে যান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই সভা থেকে ফের একবার তাঁকে রোহিঙ্গা ইস্যু (Narendra Modi on Rohingya menace) নিয়ে তোপ দাগতে শোনা যায় তৃণমূলকে।
লোকসভা ভোটের ঠিক আগেই দেশজুড়ে কার্যকর হয়েছে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল বা সিএএ। এটা যে মোদী সরকারের বড় মাস্টারস্ট্রোক, তা বলাই বাহুল্য। সিএএ নিয়ে প্রথম থেকেই বিরোধিতা করেছে তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার বলেছেন, বাংলায় তিনি সিএএ কার্যকর হতে দেবেন না।
আজ, মঙ্গলবার রায়গঞ্জের নির্বাচনী সভা থেকেই এই নিয়ে সরব হন নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi on Rohingya menace)। তিনি দাবী করেন, তৃণমূল সিএএ নিয়ে সাধারণ মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে। সিএএ নিয়ে মিথ্যাচার করা হচ্ছে বলে দাবী মোদীর। এদিন তিনি আমজনতার উদ্দেশে স্পষ্ট জানান, সিএএ নাগরিকত্ব ছিনিয়ে নেওয়ার নয়, নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন।
এদিন বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশকারী ও রোহিঙ্গাদের (Narendra Modi on Rohingya menace) নিয়েও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “তৃণমূল দেশভাগের শিকার মানুষদের নাগরিকত্ব দিতে চায় না তৃণমূল। অথচ বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারী, রোহিঙ্গাদের বাংলার জনবিন্যাস বদলে দেওয়ার এবং আইন ভাঙার অনুমতি দিয়ে রেখেছে (Narendra Modi on Rohingya menace)। নিজেদের ভোটব্যাঙ্ক বৃদ্ধির জন্য বাংলার ভবিষ্যৎ নষ্ট করছে”।
এদিনের সভা থেকে ফের একবার সন্দেশখালির ঘটনার প্রসঙ্গও টানেন মোদী। তৃণমূলকে নিশানা করে তিনি বলেন, যারা সেখানকার মহিলাদের উপর হওয়া অত্যাচারের অনুমতি দিয়েছিল, তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে না। মোদীর কথায়, “বাংলায় অত্যাচার এখন ফুলটাইম ব্যবসা। এখানে রাজনৈতিক হত্যা হয়। কেন্দ্রীয় এজেন্সির ওপরও হামলা হয়। বাংলার সব মানুষ বলছে, তৃণমূল মানে বিশ্বাসঘাতক, ভ্রষ্টাচার, পরিবারবাদ”।
প্রসঙ্গত, এদিন রায়গঞ্জের বিজেপি প্রার্থী কার্তিক পালের সমর্থনে প্রচার করেন নরেন্দ্র মোদী। এই আসন থেকে গতবারে জিতেছিলেন দেবশ্রী চৌধুরী। তাঁকে এবার দক্ষিণ কলকাতার আসন থেকে প্রার্থী করা হয়েছে বিজেপির তরফে। দেবশ্রী চৌধুরীকে আবার কেন্দ্রের মন্ত্রীও করা হয়েছে।





