নতুন বছরে নতুন ট্রেনের রেক শিয়ালদহ ডিভিশনে, ট্রেনের ভিতরে রয়েছে যাত্রীদের জন্য একাধিক স্বাচ্ছন্দ্য

যাত্রীদের জন্য স্বাচ্ছন্দ্য বাড়াতে এবার নতুন রেক নিয়ে হাজির ভারতীয় রেল। কপুরথালাতে তৈরি হওয়া এই ট্রেনের রেল আগামীদিনে চলবে হাওড়া-শিয়ালদহ-আসানসোল ডিভিশনে। ধীরে ধীরে দক্ষিণ-পূর্ব রেলও এই নতুন রেক ব্যবহার করবে বলে জানা গিয়েছে। পঞ্জাবে তৈরি হওয়া এই নতুন ট্রেনের রেক প্রথমে নিয়ে আসা হয় শিয়ালদহে।

পূর্ব রেলের তরফে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে যে এই ট্রেন চালানো হব্র ব্যারাকপুর-রানাঘাট-লালগোলা সেকশনে। যাত্রীদের জন্য একাধিক স্বাচ্ছন্দ্যের ব্যবস্থা রয়েছে এই নতুন ট্রেনে। কোচের মধ্যে রয়েছে গদিওয়ালা সিট, বায়ো টয়লেট, সুরক্ষার জন্য রয়েছে সিসিটিভি। প্রতি কোচ থেকে চারটি সিসিটিভি লাইভ ফিড পাঠাতে পারবে কন্ট্রোল রুমে। প্যাসেঞ্জার ইনফরমেশন সিস্টেমের একাধিক ব্যবস্থা থাকছে। বর্তমানে যাত্রী পরিবহণে যে বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তা হল সুরক্ষা ব্যবস্থা।

যাত্রীবাহী এই ট্রেন চলাচলের সময় যদি দুর্ঘটনার কোনও আশঙ্কা থাকে, তাহলে ট্রেনটি স্বয়ংক্রিয় ভাবেই থেমে যাবে। সর্বাধিক ১১০ কিলোমিটার বেগে চলা ট্রেনের গতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমে যাবে। এই ট্রেন সেট সম্পূর্ণ স্টেনলেস স্টিল দিয়ে তৈরি। এর সঙ্গে রয়েছে সামঞ্জস্যপূর্ণ কাচের দরজা।

এই ট্রেনের ইলেকট্রিক কন্ট্রোল সিস্টেমটি সম্পূর্ণ নেদারল্যান্ডসের তৈরি। চালকের কোচে রয়েছে ডেটা রেকর্ডার বক্স। এখানে প্রতি সেকেন্ডে নানান তথ্য রেকর্ডিং হবে। চালকের কেবিনটি সম্পূর্ণ শীততাপ নিয়ন্ত্রিত। রেল আধিকারিকরা জানিয়েছেন যে এই ট্রেন সেটে যাত্রী সুরক্ষায় যাবতীয় ব্যবস্থা রয়েছে।

এই ট্রেনটি দেখতে একেবারে কলকাতার মেট্রো রেকের মতো। এই ট্রেনে তিরিশ শতাংশ বেশি যাত্রী উঠতে পারবেন, যা খুবই প্রয়োজনীয়। তবে বেশি যাত্রী উঠলেও বসার ও দাঁড়ানোর জায়গা বেশ প্রশস্ত।

১১ কামড়ার আধুনিক প্রযুক্তির এই রেক যাত্রীদের সুরইক্ষা কবচ নিয়েই চলবে। বেশি ভিড় এড়াতেই এই অত্যাধুনিক কোচসম্পন্ন লোকাল ট্রেন তৈরি করল রেল। নতুন বছরে এই নতুন ট্রেন চলবে।

আরও অন্যান্য খবর