ফের একবার চাকরিতে দুর্নীতির অভিযোগ উঠল। রেলে চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ। গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি-তে চাকরি দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা তোলা হয়েছে। এই ঘটনার চক্রকে গ্রেফতার করল বর্ধমান আরপিএফ। পুলিশের জালে ৭।
জানা গিয়েছে, বর্ধমানের এক অফিস থেকে রেলে নিয়োগ সংক্রান্ত একাধিক নথি উদ্ধার করেছে পুলিশ। বর্ধমানের রেলওয়ে ইনস্টিটিউট ভাড়া নিয়ে চাকরি প্রার্থীদের নিয়োগের প্রশিক্ষণ চলত বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় ১১ জনকে আটক করে পুলিশ। এর মধ্যে ৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ মিলেছে।
গতকাল, মঙ্গলবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বর্ধমানের ওই অফিসে হানা দেয় আরপিএফ। সেখানে চারজন চাকরিপ্রার্থীও ছিলেন। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বর্ধমান রেল স্টেশনের আরপিএফ পোস্টে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।
সূত্রের খবর, ধৃতদের থেকে গ্রুপ-সি পদে নিয়োগের জাল নিয়োগপত্র, ৩টি জাল খালি পরিষেবা বই, ভারতীয় রেলের গ্রুপ-ডি পদের জন্য ৬টি জাল নিয়োগ ফর্ম,৭টি জাল RRB OMR সেট, ১টি জাল জয়েনিং রেজিস্টার মিলেছে। এছাড়াও তিনটি ৪ পাতার প্রশ্নপত্র, তিনটি আইডি কার্ড পাওয়ার আবেদনপত্র, একটি রাবার স্ট্যাম্প উদ্ধার করেছে পুলিশ।
যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তারা হল- শেখ জিন্নাত আলি, অরূপরতন মণ্ডল, রঞ্জিত কুমার সর্বজন ওরফে রঞ্জিত গঙ্গোপাধ্যায়, বিবেকানন্দ মুখোপাধ্যায়, তারাশঙ্কর কুন্ডু, প্রতুলকুমার রায়, ফজলু সেখ। এদের বর্ধমান পুলিশের হাতে তুলে দেয় আরপিএফ। জানা গিয়েছে, গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি চাকরির জন্য ৫ লক্ষ টাকা করে দাবী করত ধৃতরা।






