একুশের নির্বাচনের আগে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। লড়েছিলেন ভোটেও। তৃণমূলের হয়ে বিজেপিকে বারবার বেশ কড়া ভাষাতেই আক্রমণ করতে শোনা গিয়েছে তাঁকে। এবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে তীব্র বাক্যবাণে বিঁধলেন অভিনেত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আজ, বুধবার বাঁকুড়া পুরসভায় দলের নির্বাচিত কাউন্সিলরদের সম্বর্ধনা সভায় উপস্থিত ছিলেন তিনি। সেখানে বক্তব্য রেখে তিনি বলেন যে হিন্দু পরিবারে সন্তানের জন্ম হলে কেউ যেন তার নাম শুভেন্দু না রাখেন।
নিজের এমন মন্তব্যের সপক্ষে যুক্তি খাড়া করে সায়ন্তিকা বলেন, “কোনও মুসলিম পরিবারে পুত্র সন্তান জন্ম নিলে, তার নাম বিশ্বাসঘাতক বা মীরজাফর এর নামে রাখা হয় না। তেমনি বর্তমান সময়ের বিশ্বাসঘাতকের অপর নাম শুভেন্দু। তাই নবজাতকের নাম দয়া করে কেউ শুভেন্দু রাখবেন না”। তৃণমূল নেত্রীর এমন বিস্ফোরক মন্তব্যের পর স্বভাবতই সভাস্থলে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
তাঁর সংযোজন, “২০২১ থেকে ওনার রাজনৈতিক কেরিয়ারে লোডশেডিং নেমে এসেছে৷ কারণ, তৃণমূলে থেকে ওনার কাজ ছিল বিশ্বাসঘাতকতা করা। আর সেই কাজই উনি করেছেন৷ স্বভাবতই মানুষ আর ওকে বিশ্বাস করে না”।
এর পাশাপাশি তিনি কাঁথি পুরসভার ফলাফলের প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন৷ সায়ন্তিকার মন্তব্য, “দেখলেন না, এমন বিশ্বাসঘাতককে তাঁর এলাকার বাসিন্দারাও আর বিশ্বাস করেন না৷ দিদির দৌলতে বাপ-বেটা দীর্ঘ ৪০ বছর কাঁথিতে রাজ করেছিল৷ এবারে কাঁথির মানুষ ওদের খালি হাতে ফেরৎ পাঠিয়ে দিয়েছে৷ আগামীদিনে বাকিটুকুও থাকবে না”।
সায়ন্তিকার এমন দাবী প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর কোনও প্রতিক্রিয়া না মিললেও তাঁর ঘনিষ্ঠ শিবিরের দাবী, “ও সব চুনোপুটির বক্তব্যে দাদার কিছু আসে যায় না৷ তৃণমূল শুভেন্দুকে ভয় পেয়েছে, তাই সর্বক্ষণ বেছে বেছে ওকেই আক্রমণ করছে”।






