West Bengal assembly election 2026: SIR সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশে বড় মোড়, সোমবার সন্ধ্যায় চূড়ান্ত তালিকা – কারা থাকছেন, কারা বাদ, নজরে গোটা রাজ্য!

রাজ্যে নির্বাচন ঘিরে যখন ধীরে ধীরে উত্তেজনা বাড়ছে, ঠিক সেই সময় ভোটার তালিকা নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। বহু মানুষের নাম থাকবে কি না, বাদ পড়বে কি না—এই প্রশ্ন এখন সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। বিশেষ করে যাঁদের নাম ‘বিবেচনাধীন’ তালিকায় রয়েছে, তাঁদের উদ্বেগ যেন আরও কয়েকগুণ বেড়েছে। ঠিক এই আবহেই সামনে এল একটি গুরুত্বপূর্ণ আপডেট, যা ঘিরে বাড়ছে কৌতূহল।

আগেই জানানো হয়েছিল, গত শুক্রবারই প্রকাশিত হবে এসআইআর-এর (SIR) প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা। কিন্তু শেষ মুহূর্তে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়, সেদিন তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছে না। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে শুরু হয় নানা জল্পনা। কেন হঠাৎ এই পরিবর্তন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে বিভিন্ন মহলে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই তালিকা প্রকাশের নতুন দিন ও সময় নিয়ে বাড়তে থাকে আগ্রহ।

এই পরিস্থিতিতেই রবিবার বড় ঘোষণা করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। তিনি স্পষ্ট করে জানান, এসআইআর-এর প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশিত হবে সোমবার সন্ধ্যা নাগাদ। আগের দিনই কমিশনের তরফে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল যে সন্ধ্যা ৭টার আগে তালিকা প্রকাশ করা হবে না। ফলে নির্দিষ্ট সময় সামনে আসতেই কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে এই তালিকা নিয়ে আইনি দিকটিও বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের ভিত্তিতে কলকাতা হাই কোর্ট ইতিমধ্যেই ট্রাইবুনাল গঠন করেছে। মোট ২৩টি জেলার জন্য ১৯ জন প্রাক্তন বিচারপতিকে নিয়ে ১৯টি ট্রাইবুনাল তৈরি হয়েছে। এই ট্রাইবুনালেই আবেদন জানাতে পারবেন সেই সব ভোটার, যাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারে। ফলে তালিকা প্রকাশের পরও লড়াইয়ের একটি পথ খোলা থাকছে।

আরও পড়ুনঃ “টাকা নেই রাজকোষে, তবু বাড়ছে ভাতা আর প্রতিশ্রুতি—ভোটের আগে এই ঘোষণাগুলো কতটা বিশ্বাসযোগ্য?” পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে প্রশ্ন, সাধারণ মানুষের জীবনে কি আদৌ প্রভাব পড়ছে, নাকি সবটাই নির্বাচনী ‘গেম প্ল্যান’?–কি দাবি করছে বাংলার মানুষ?

সবশেষে সামনে এসেছে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের সব বুথের জন্য এই সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করা হবে না। প্রায় ৮০ হাজারের বেশি বুথ থাকলেও মাত্র কয়েক হাজার বুথে ‘আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন’ রয়েছে। বিশেষ করে কালিম্পং, ঝাড়গ্রাম ও দার্জিলিংয়ের মতো জেলায় একাধিক বুথে এমন কোনও বিবেচনাধীন ভোটার নেই। তাই স্বাভাবিকভাবেই সব জায়গায় তালিকা প্রকাশ হচ্ছে না—এই তথ্যই এখন পুরো বিষয়টির সবচেয়ে বড় দিক হয়ে উঠেছে।

Khabor24x7 Desk

আরও পড়ুন

RELATED Articles