সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার,গড়িয়া শ্মশানের ঘটনা মানুষের মনে খারাপ প্রভাব ফেলছে,জানাল নবান্ন

সম্প্রতি গড়িয়া শ্মশানে ১৪টি বেওয়ারিশ লাশকে দাহ করতে গেলে পুরকর্মীদের বাঁধা দেয় স্থানীয় মানুষরা। এরপর মৃতদেহ গুলিকে হুক দিয়ে টেনে গাড়িতে তোলার ঘটনা দেখে রীতিমত সমালোচনার ঝড় ওঠে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তীব্র নিন্দার মুখে পড়ে এবার স্বপক্ষে যুক্তি দিতে এগিয়ে এলো নবান্ন। শনিবার রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতর তরফে টুইটবার্তায় জানানো হয়, এই ঘটনা সমাজে সরকারের প্রতি বিরূপ ধারণা তৈরি করছে।

স্বরাষ্ট্র দফতরের টুইটার হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে, ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার মৃতদের যথাযথ সম্মান প্রদর্শনে বিশ্বাস করে এবং করোনা পরিস্থিতিতেও মৃতদের পরিবারকে শেষ শ্রদ্ধা জ্ঞাপণের সুযোগ ও সৎকার নিয়েও রাজ্যের তরফে নানা আলোচনা চলছে।’

সরকারের তরফে দাবি করা হয়েছে, ‘সাম্প্রতিক একটি অন্য ঘটনায়, যেখানে বেওয়ারিশ, পচন ধরা লাশগুলিকে সৎকারের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, সেই সম্পর্কে অপপ্রচার ছড়ানো হচ্ছে। এই ঘটনার সঙ্গে বর্তমান পরিস্হিতির কোনও সম্পর্ক নেই। এব্যাপারে নিশ্চিত করে রাজ্যের সর্বোচ্চ কর্মকর্তারা লিখিত বিবৃতিও দিয়েছেন। এমনকী সেই বিবৃতি রাজ্যপালের কাছেও জমা দেওয়া হয়েছে।’

সরকারের অভিযোগ, ‘তা সত্বেও মহামারির সুযোগ নিয়ে এই ঘটনাকে অন্যভাবে দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে মানুষের মনে সরকারের প্রতি বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারি কর্মীদের মধ্যেও হীনমন্যতা তৈরি করছে।’

প্রসঙ্গত, গত বুধবার গড়িয়া শ্মশানে করোনা সন্দেহের জেরে ১৪টি বেওয়ারিশ লাশকে দাহ করতে বাধা দেয় স্থানীয়রা। পুরকর্মীদের তরফে জানানো হয়, সেগুলি NRS মেডিক্যাল কলেজের মর্গে থাকা বেওয়ারিশ লাশ। এরপর পরিস্হিতি উত্তপ্ত হলে লাশগুলি আবার গাড়িতে ভরে নিয়ে চলে যান পুর কর্মীরা। তখনই এক ভিডিয়োয় দেখা যায় একটি দেহের চোয়ালে হুক আটকে টানতে টানতে নিয়ে যাচ্ছে এক পুরকর্মী। এরপর এই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে তীব্র সমালোচিত হয় রাজ্য।

আরও অন্যান্য খবর